এ কে আজাদ || সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি:
দৈনিক খবরের কন্ঠ পত্রিকা||
সিলেট সদর উপজেলায়, জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবে
শহীদ ও আহতদের স্মরণে স্মরণসভা করেছে সিলেট সদর উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু ম্মরণ সভায়র আয়োজনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উপজেলাবাসীর মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি নিয়ে রীতিমতো সদর উপজেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে।
জানা যায়, সোমবার দুপুরে সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে এই স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়, এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ। সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সহ দুটি শহীদ পরিবার সহ বেশ কয়েকজন আহত ব্যাক্তি অংশ নেন।
সমাবেশে আসা একাধিক ব্যাক্তি ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে সিলেট সদর উপজেলার ওয়াসিম ও মোস্তাক শহীদ হয়েছেন। স্মরণসভার ব্যানারে এই দুই শহীদের ছবি দিলে উপজেলাবাসী খুশি হতেন। ব্যানারে শহীদদের ছবি না দিয়ে প্রকৃতপক্ষে তাদেরকে অসম্মান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টরিতে শহীদদের বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য ছিলনা, শুধু মাত্র নাম ও ছবি দেখানো হয়েছে। এখানে দুইজন শহীদের বিস্তারিত তথ্য থাকলে সবাই জানতে পারতেন, তিনি কবে, কোথায়, কিভাবে শহীদ হয়েছেন সহ তার বিস্তারিত তথ্য থাকার আবশ্যক, কারন মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মতো, জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবের ইতিহাসও বিকৃত হতে পারে, উপজেলা প্রশাসন খুব ঠান্ডা মাথায় ইচ্চেকৃত ভাবেই এমনটি করেছে।
এদিকে, অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাদেরকে মঞ্চে ডাকা তো দূরের কথা উপস্থাপন তাদের নাম পর্যন্তও উচ্চারণ করনে নি। এটি নিয়েও সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ বলেন, আয়োজনে সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল। তিনি এর বাহিরে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।