স্টাফ রিপোর্টার।
বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে কর্মসংস্থানমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ উদ্যোক্তা ও ইনফ্লুয়েন্সার আহমেদুল কিবরিয়া আবির। অল্প বয়সেই উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তিনি দেশের বেকারত্ব নিরসনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
মাত্র ২৩ বছর বয়সে আহমেদুল কিবরিয়া আবির একটি আইটি প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল টেকনোলজি অব বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজের একজন শিক্ষার্থী হয়েই তিনি একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি ব্যতিক্রমী ও অনন্য উদাহরণ।
শিক্ষাজীবনে তিনি গোয়াইনঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে গোয়াইনঘাট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক (এসএসসি) এবং সিলেট এমসি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। বর্তমানে তিনি সিলেট এমসি কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।
কর্মসংস্থান বিষয়ে নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে আহমেদুল কিবরিয়া আবির বলেন, আমি চাই দেশের প্রতিটি বেকার তরুণ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাক। আমার স্বপ্ন—বাংলাদেশ একদিন বিশ্বের বেকারত্বমুক্ত দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করুক। এই লক্ষ্য অর্জনে আমাদের সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি সক্ষম ও প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি অন্তত পাঁচজন করে তরুণকে কর্মসংস্থানমুখী করে তুলতে পারেন, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশকে বেকারত্বমুক্ত করা সম্ভব।
তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সফল উদ্যোক্তা হতে হলে নিজের সঙ্গে নিজেকেই চ্যালেঞ্জ করতে হবে। এ পথে কেউ আপনাকে চাপ দেবে না সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে। সব সময় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণের মানসিকতা থাকতে হবে এবং ঝুঁকি নিতে ভয় পাওয়া যাবে না। যত বাধাই আসুক, হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
তরুণ বয়সেই উদ্যোক্তা হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলা আহমেদুল কিবরিয়া আবির আজ দেশের অসংখ্য তরুণের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার মতো উদ্যোগী তরুণদের হাত ধরেই দেশের কর্মসংস্থান খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।