সিলেট জেলা প্রতিনিধি :
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দী সীমান্তে ফুটে উঠেছে রমরমা অবৈধ ব্যাবসা এলাকা অতিষ্ঠ হয়ে বন্ধ করতে পারছেনা বিশেষ করে স্থানীয় বিট অফিসারের নেতৃত্বে নাকি এই সব চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নাগরিক সমাজ "ভারতীয় মাদক ইয়াবা কসমেটিক চিনি জিরা সহ গরু মহিষ আসছে অবৈধভাবে" নির্ভয়ে যাচ্ছে শহরে বিভিন্ন প্রন্তে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সন্ধ্যার পরে বিছনাকান্দী মুসলিম পাড়া ১২৫২, ১২৫১,১২৬৩ এই সব পিলার দিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করে এই মালামাল হিসাব রক্ষক হিসাবে বঙ্গবীর চেকপোস্ট ব্যবহার করা হচ্ছে "চেকপোস্টে নাম বলে যাচ্ছে প্রতিটি ডি আই পিকাপ ও ট্রাক এই সব গাড়ি দিয়ে যাচ্ছে ১০/১২ হাজার টাকা করে। প্রতিটি গরু মহিষ থেকে নেওয়া হচ্ছে ১২০০ টাকা করে যা পুলিশ লাইনে দায়িত্বে রয়েছেন গোলাম হোসেন ও হেলাল উদ্দিন জালাল মেম্বার সহ একটি বড়চক্র রয়েছে এই তিন জন সব দেখা শুনা করে আসছেন " বিট অফিসার আনোয়ার হোসেন এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে চেকপোস্ট অন্যান্য মালামাল থেকে নিজ পুলিশ ফোর্সের৷ উপস্থিতির মাধ্যমে পাচার করা হয়।
বিশেষ সূত্রে পাওয়া যায় প্রতিদিন জিরা, চিনি, পিয়াজ,মাদক ও কসমেটিক ৬০/৭০ গাড়ি বের হয়ে যাচ্ছে চেকপোস্ট অতিক্রম করে " গরু মহিষ প্রতিদিন আসছে ২/৩ হাজার যা স্থানীয় পীরের বাজার ও হাদারপার বাজারের রশীদ দিয়ে৷ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সোমবার ও বৃহস্পতিবার হাদারপার বাজারের রশীদ দিয়ে বৈধতা পাচ্ছে ভারত গরু মহিষ ও বাকি ৬ দিন পীরের বাজারে থেকে এই সব গরু মহিষ যাচ্ছে তবে পীরের বাজার গরু মহিষের কোন বাজার নেই বলে জানা যায় " স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে ও প্রশাসনের মাধ্যমে সব নিয়ন্ত্রণ করে আসছে হেলাল, গোলাম হোসেন, জালাল মেম্বার।
বিছনাকান্দী বিজিবি ক্যাম্পে যোগাযোগ করে জানা যায় এই বিষয় বিজিবি কটুর নজর দাড়ী রয়েছে।