পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস , জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট
জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারের অভাবে স্বাস্থ্য সেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। দীর্ঘ পুরাতন এই জেনারেল হাসপাতালটি তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলে ও ডাক্তারের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। একাধিকবার জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এখনো ডাক্তার সংকট কমেনি বরং রুগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে হার্ট ও মেডিসিন এর ডাক্তার নেই বললেই চলে। গুরুত্বপূর্ণ এই দুই বিভাগ হাসপাতালের প্রাণকেন্দ্র অথচ এই দুই বিভাগে উপযুক্ত ডাক্তার নেই । কোনরকমে খুঁরিয়ে খুঁরিয়ে চলছে হার্ট ও মেডিসিন রুগীর চিকিৎসা। হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য কোটালীপাড়া থেকে আগত সালাম শেখ আক্ষেপ করে বলেন, গরিব রোগীদের জন্য এই হাসপাতালটি হার্ডও মেডিসিনের জন্য অপরিহার্য কিন্তু ডাক্তারের শূন্যতা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যাযনা। তিনি আরো বলেন, আমরা সীমিত আয়ের মানুষ । আমাদের পক্ষে খুলনায় বা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া ব্যয়বহুল।
প্রধান সহকারী জুয়েল কুমার বাছার জানান, মেডিসিন ও হার্টের ডাক্তারের অভাবে চিকিৎসা সেবা বিঘ্নিতহচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে হার্ট ও মেডিসিনের ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া না হলে স্বাস্থ্যসেবা ঝুঁকির মধ্যে
পড়বে যা নিয়ন্ত্রনে নেওয়া কঠিন হবে। ইতোপূর্বে একাধিকবার লিখিত আবেদন করে ও ডাক্তার পাওয়া যায়নি । এ বিষয়ে হাসপাতাল সুপারেন্টেট ডাঃ জীবিতোশ বিশ্বাস বলেন, ডাক্তার পদায়নে জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আবেদন করা হয়েছে । আশা করছি দ্রুত ডাক্তার নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়
গোপালগঞ্জ - ০২ আসনের এমপি ডাক্তার কে এম বাবর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করেছেন এবং সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেয়া হবে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।