রাহি রহমান -বিশেষ প্রতিনিধিঃ আজমিরীগঞ্জ উপজেলা
হবিগঞ্জ: বিপদের সময় মানুষের পাশে থাকাই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়—এ কথাটি আবারও প্রমাণ করলেন হবিগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এবং হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী সৈয়দ মুশফিক আহমেদ।
প্রকৃতির রুদ্রমূর্তি ও টানা অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢল যখন হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর তীরবর্তী জনপদকে তলিয়ে দিয়েছে, ঠিক তখনই অসহায় মানুষের পাশে ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তিনি। যেখানে জীবন বাঁচাতে মানুষ দিশেহারা, সেখানে নিজ সামর্থ্য ও মানবিক দায়বদ্ধতা নিয়ে তিনি ছুটে গেছেন বিপদগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুয়ারে।
মানবতার টানে, বিপন্ন মানুষের সানে
দুর্যোগের খবর শুনেই ঘরে বসে থাকেননি সৈয়দ মুশফিক। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকাযোগে পৌঁছে গেছেন দুর্গম প্লাবিত এলাকায়। অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় উপহার সামগ্রী। তাঁর এই উপস্থিতি কেবল ত্রাণ সহায়তা নয়, বরং দুর্যোগকবলিত মানুষগুলোকে দিয়েছে এক অসীম সাহস ও আশার আলো।
নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা
একজন জননেতার আসল পরিচয় সংকটের মুহূর্তে। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আর্তমানবতার সেবায় তাঁর এই নিবেদিত প্রাণ ভূমিকা হবিগঞ্জবাসীর মনে গভীর দাগ কেটেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন, নেতৃত্ব মানে কেবল উচ্চবাচ্য নয়; বরং মানুষের বিপদে পরম বন্ধু হয়ে পাশে থাকা।
"বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। আজ যখন আমার প্রিয় শহরবাসী পানির নিচে, তখন তাদের পাশে না দাঁড়ালে একজন মানুষ হিসেবে নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকতাম। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই একজন কর্মীর শ্রেষ্ঠ পাওনা।" — সৈয়দ মুশফিক আহমেদ।
জনগণের প্রার্থনা
সৈয়দ মুশফিকের এই মানবিক উদ্যোগ আজ সর্বমহলে প্রশংসিত। অসহায় মানুষগুলো তাঁকে দেখছে পরম আত্মীয়ের মতো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে চলছে প্রশংসা ও দোয়ার ঝড়। হবিগঞ্জ পৌরবাসী তাঁর এই মহৎ কাজের জন্য স্রষ্টার কাছে বিশেষ প্রার্থনা করছেন এবং তাঁকে একজন মানবিক নেতা হিসেবে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছেন।
আল্লাহ তাঁর এই সেবা ও মহৎ কাজকে কবুল করুন। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে সৈয়দ মুশফিক আহমেদের মতো মানবিক মানুষদের হাত ধরেই আমাদের সমাজ জেগে উঠুক, ঘুচুক সব হাহাকার।
পাদটীকা: দুর্যোগের এই দুঃসময়ে সৈয়দ মুশফিক আহমেদের মতো সামর্থ্যবানরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন, তবেই আমরা কাটিয়ে উঠতে পারব যেকোনো সংকট। মানবতার জয় হোক।