বিশেষ প্রতিনিধি : এম এ আকবর
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, আশেকানে হক ভাণ্ডারী, শোকর-এ মওলা মনজিলের উদ্যোগে পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম - এর তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা, মিলাদ মাহফিল সংগঠনের প্রস্তাবিত (২০২৬-২৭) সেশনের সভাপতি মুহাম্মদ এহসান উল্লাহ'র সভাপতিত্বে ও সৈয়দ গোফরান উদ্দীন ফরহাদের সঞ্চালনায় শোকর-এ মওলা মনজিল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সিনিয়র সদস্য, বিশিষ্ট মাইজভাণ্ডারী গবেষক, লেখক ও গীতিকার জনাব মোহাম্মদ শাহেদ আলী চৌধুরী মাইজভাণ্ডারী।
আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এস.এম. এমরান, মোহাম্মদ নুরুল আনোয়ার, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সৈয়দ শফিউল আজিম সুমন ও মুহাম্মদ আজম।
প্রধান অতিথি পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম - এর তাৎপর্য ও মাহবুবে ছোবহানী, কুতুবে রব্বানী, পীরানে পীর গাউসুল আজম আব্দুল কাদের জিলানী (ক:)'র জীবনী শীর্ষক আলোচনায় বলেন, "গাউসুল আজম খোদায়ী লকব। আল্লাহর সৃষ্টি জগতে দুই জনই গাউসুল আজম দাবীদার। উনারা সেই দাবীর স্বপক্ষে প্রমাণ দিয়েছেন মানুষকে হেদায়তের মাধ্যমে। 'গাউসুল আজম' খোদায়ী শক্তিতে ও রহমতে পরিপূর্ণ তাই মানব জাতিকে সর্বোত্তম সাহায্য করতে সক্ষম।"
আলোচনায় প্রধান অতিথি আরও বলেন, "আসন্ন মহান ২৬ আশ্বিন বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) কেবলা কাবার বার্ষিক ওরশ শরীফে মুনিবের মেহেরবানী পাওয়ার লক্ষ্যে আমাদের গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক:), শাহানশাহ হক ভাণ্ডারী (ক:) ও মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী (ক:) কেবলা কাবার প্রতি ভালোবাসায় নিজেকে বিলীন করে, প্রেমময় চিত্তে, জিকির সহকারে যেতে হবে।"
ওরশ শরীফে অংশগ্রহণে তিনি সংগঠনের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
মাহফিলে সংগঠনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দেশ ও মানবজাতির কল্যাণে মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হয়।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত নির্দেশনার আলোকে মহান ২৬ আশ্বিন ওরশ শরীফ উপলক্ষ্যে সংগঠনের উদ্যোগে স্থানীয় পাটিয়ালছড়ি মসজিদে সকালে খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল ও বাদে জুমা মুসল্লী সহ মিলাদ মাহফিল সস্পন্ন হয়।
এছাড়াও পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উপলক্ষ্যে বিকেলে শোকর-এ মওল মনজিল প্রাঙ্গনে শজরা, মিলাদে নববী ও তাওয়াল্লাদে গাউসিয়া শরীফ তেলাওয়াত সহকারে সিরনি তবারুক রন্ধন করা হয়।