শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা। জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম । লালমাইয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের করুণ মৃত্যু বাগমারা বাজারে যানজট নিরসনে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের সাঁড়াশি অভিযান। হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল, ১৫০টি পাইপ ধ্বংস। চুনারুঘাটে ‘স’মিলে অভিযানে সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ। হবিগঞ্জে ২ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। চুনারুঘাটে সাতছড়ি উদ্যানে নিয়ে শাশুড়িকে হত্যা: জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গোপালগঞ্জে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ বিক্রির অভিযোগে তিন ফার্মেসিকে জরিমানা নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে গাছের চারা রোপণ করেন মনজুর এলাহী এমপি।
Title :
বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা। জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম । লালমাইয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের করুণ মৃত্যু বাগমারা বাজারে যানজট নিরসনে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের সাঁড়াশি অভিযান। হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল, ১৫০টি পাইপ ধ্বংস। চুনারুঘাটে ‘স’মিলে অভিযানে সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ। হবিগঞ্জে ২ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। চুনারুঘাটে সাতছড়ি উদ্যানে নিয়ে শাশুড়িকে হত্যা: জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গোপালগঞ্জে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ বিক্রির অভিযোগে তিন ফার্মেসিকে জরিমানা নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে গাছের চারা রোপণ করেন মনজুর এলাহী এমপি।

হবিগঞ্জে চুনারুঘাটে দুই সন্তানসহ বাবার বিষপানে আত্মাহত্যা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

 

মীর দুলাল বিশেষ প্রতিবেদন!

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় সংসারের স্ত্রীর সঙ্গে অমিল ঝগড়াঝাটি করে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে বিষ পান করেন, আবদুর রউফ (৩২) নামের এক যুবক।

মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর দুই সন্তানকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী২৫) ইং সকালে ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চুনারুঘাট উপজেলার আতিকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুর রউফের মৃত্যু হয়।

তার আগে তাঁর দুই মেয়ে আয়েশা আখতার (৩) ও খাদিজা আখতারকে (৫) মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় বলে জানান চিকিৎসকেরা।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুনারুঘাটের আতিকপুর গ্রামের আবদুর রউফ চার সন্তানের জনক।

সংসারে অভাব-অনটন নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।

এর জেরে দুই দিন আগে এক বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান তাঁর স্ত্রী।

স্ত্রীকে বাড়িতে ফেরানোর চেষ্টা করেন। এ নিয়ে গতকাল রাতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়।

পরে গতকাল দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ দুই মেয়েকে পান করিয়ে নিজেও পান করেন।

পরে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে চুনারুঘাট হাসপাতাল ও পরে ভোররাতে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক শিশু দুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রউফ।

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়।

সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা আবদুর রউফ সকাল সাড়ে ১০টায় হাসপাতালে মারা যান।

নিহতের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূর আলম বলেন পরিবারের অভাব-অনটনের কারণে স্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর ভালো যাচ্ছিল না।

শুনছি, আবদুর রউফ বিদেশ যাওয়ার জন্য ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। যে কারণে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে বিষপানে “আত্মহত্যা” করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম ।

জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম ।

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews