
মো রাজু আহমেদ (রাজশাহী) জেলা প্রতিনিধি :
রাজশাহীর তানোরে ঐতিয্যবাহী তালন্দ লোলিত মোহন ডিগ্রি কলেজে আবারো জনবল নিয়োগের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সভাপতি রণেভঙ্গ দিয়েছে বলে গুঞ্জন বইছে। স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একাধিকবার নিয়োগের চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে অধ্যক্ষ। এমনকি অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্মতি না দেয়ায় এক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে চাপ দিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলেও সমলোচনা রয়েছে। অভিভাবক মহলের অভিযোগ, গত শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজ ও জনৈক ওমর আলী সিন্ডিকেট যোগসাজশ করে নীতিমালা লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের দিন তালন্দ কলেজের পরিবর্তে রাজশাহী কলেজে নিয়োগ পরীক্ষার দিন ধার্য্য করা হয়। এদিকে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র প্রায় দু’সপ্তাহ আগে ইস্যু হলেও পরীক্ষার আগের দিন বিকেলে তাদের প্রবেশপত্র দেয়া হয়। এমন ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার অভিভাবক মহল বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন বিক্ষুব্ধ অভিভাবক মহল কলেজ চত্ত্বরে সমেবেত হয়ে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ও এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শ্লোগান দেন এবং মুঠোফোনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাড়াও বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিষয়টি অবগত করেন। অন্যদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে এমন পরিস্থিতির খবর পেয়ে ডিজির প্রতিনিধি আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে সভাপতি ও ওমরের নিয়োগ বানিজ্যের স্বপ্ন উবে যায়। সভাপতিও রণেভঙ্গ দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক বলেন, নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা ও শোকদিবসের মাঝে জালিয়াতির মাধ্যমে এমন নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এনিয়ে তানোর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, মানুষের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা বাণিজ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। তিনি আরও বলেন, তাদের দাবি তালন্দ কলেজে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হোক। এব্যাপারে কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, আপনারা সচেতন মানুষ কলেজকে বাঁচান। তবে, নিয়োগ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিন্তু এবিষয়ে কলেজ সভাপতি সেলিম উদ্দিন কবিরাজের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। এজন্য তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ই/