
মীর দুলাল।। হবিগঞ্জ বাহুবলের আদিত্যপুর ও আরিছপুর গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় সেলু মিয়া(৪৫)নামে একজন নিহত হয়েছে। এতে দু’পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়।
আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্থায় দু’জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সোমবার (১৫ জুন ২৬) ইং দুপুরে দিকে উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে যানা যায় , বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের আদিত্যপুর গ্রামের মর্তুজা মিয়ার ছেলে আক্তার মিয়া ও নাসির মিয়ার সাথে কবরস্থানে বেড়া দেয়াকে কেন্দ্র করে আরিছপুর গ্রামের মিলন মিয়া, হারিছ মিয়ার ছেলে সারু মিয়া ও এখলাছ মিয়ার প্রায় দুই মাস পূর্বে বিরোধ এর ঘটনা চলে আসছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার দু’পক্ষের মধ্যে আবারও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জের ধরে সোমবার দুপুরে দিকে মাইকিং করে দু’পক্ষের লোকজন স্থানীয় আদিত্যপুর হাওরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক বাহুবল মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘন্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়।
আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এ ঘটনার সূত্র ধরে সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ডুবাঐ বাজারে দু’পক্ষের লোকজন আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ঘন্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে স্থানীয় আদিত্যপুর গ্রামের মৃত ফিরোজ আলীর ছেলে মোঃ সেলু মিয়া নিহত হয়।
বর্তমানে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।