
সাহারুল ইসলাম ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার আজাদমোড় এলাকা থেকে কালুপুকুর গোবিন্ধগজ্ঞ সিমানা পর্যন্ত পাঁকারাস্তা নির্মানের কাজে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অনিয়োমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিকাদার আমিনুল ইসলাম তার প্রতিষ্ঠান মেসাস জেরিন এন্ড ফিরোজ কনট্রাশন নামে কাজটি চলতি সালের ২০২৬ এর পহেলার দিকে এ পাঁকা রাস্তা নির্মানের কাজ পান। এতে ব্যায় ধরা হয়েছে ৪-কোটি,৩৩-লাখ,১৪-হাজার,৩শ টাকা,রাস্তাটির দৈর্ঘ প্রায় ১৯২০ মিটার আর প্রস্ত ১৮ ফিট। ঘোড়াঘাট পৌরসভা সদর আজাদমোড় থেকে পাঁকা রাস্তাটি গোবিন্ধগজ্ঞ সিমানা কালুপুকুর পাঁকা রাস্তার পর্যন্ত রাস্তাটির কাজের ব্যায় ধরা হয়েছে ৪-কোটি,৩৩-লাখ,১৪-হাজার,৩শ টাকা। যাহার দৈর্ঘ প্রায় ১৯২০ মিটার এবং প্রস্ত ১৮ ফিট। কাজটির সিডুয়েল মোতাবেগ রাস্তার কাজের নিচের থিকনেচ দেয়ার কথাছিল ৬-ইঞ্চি বালু আর ৮-ইঞ্চি বালু ও খোয়া মিলে দেয়ার কথা, কিন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তা তোয়াক্কা না করে ৪-ইঞ্চি বালু আর ৬-ইঞ্চি খোয়া বালু মিলে পানি ছারাই ২নাম্বার ও ৩নাম্বার ইটের খোয়া দ্বারাই কাজ করছে। এ নিয়ে এলাকার সাধারন মানুষের মাঝে চরম উত্তেজনা দেখা গেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এ পাঁকারাস্তা কাজে অনিয়োম ও দুঃর্নিতি মুলক কাজ করে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্ঠা করছে,যা অল্প সময়ের মধ্যে পাঁকারাস্তাটি নষ্ঠ হয়ে ক্ষতি সাধনের আশংকা করছেন এই এলাকার সচেতন মহল। অপর দিকে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্ধগজ্ঞ উপজেলার কালুপুকুর মৌজার ৪,১১,১২ ও ১৩ নাম্বার দাগের আনুমানিক ৬০ শতাংশ জমির মালিকানা দাবী করেন,যে চলমান রাস্তাটির মধ্যেতার রেকডিও জমি পরেছে তিনি জানান,জমির মালিক আবু হানিফ দেওয়ান নামের ব্যাক্তি এ দাবী করেন। তিনি বলেন,তার সাথে আলোচনা না করেই রাস্তাটির কাজ করছে। এ ব্যাপারে তিনি ইউএন ও ভুমি কমিশনার ঘোড়াঘাটকে অবগত করেছেন। ঘোড়াঘাট পৌর প্রশাসক আব্দুল আল মামুন কাউসার তিনি জানান ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজের অনিয়োমের অভিযোগ আমার কাছে আসছে,তাই আমি সাব সাব ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে জানিয়েছি যে,খারাপ ইট না সরান পর্যন্ত কাজ করবেন না।
মোঃ সাহারুল ইসলাম
ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ
তারিখঃ-২৩/০২/২০২৬ ইং
মোবাইল নং-০১৭৫০৩০৭৭২২