
মীর দুলাল।।
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অতীতে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, অনেক তরুণ-তরুণী জন্মের পর আজও ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি।
দেশের মানুষ এখন ভোট দিতে চায়, নিজের ভোট নিজে দিতে চায়। বিএনপি জনগণের সেই সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২৬)ইং হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের ভোটাধিকার। সেই অধিকার কেড়ে নেওয়ার কারণেই দেশ আজ নানা সংকটের মুখে পড়েছে। ভোটের অধিকার নষ্ট হলে রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা থাকে না, আর জবাবদিহিতা না থাকলে দুর্নীতি, বেকারত্ব ও বৈষম্য ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পায়।
হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের জনতার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি হবিগঞ্জ-১ আসনে ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আসনে ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে আলহাজ্ব জি কে গউছ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে সৈয়দ মো. ফয়সলের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
ভোটের দিন পর্যন্ত সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, যাতে কোনোভাবেই জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করা না যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ইতোমধ্যে ভোট দখলের নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসী পোস্টাল ভোটসহ বিভিন্ন কৌশলের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
পাশাপাশি চা শ্রমিকসহ সব পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ন্যূনতম জীবনযাপন নিশ্চিত করা যায়।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অবদান রাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী চালু করা হবে।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন হবে ন্যায়পরায়ণতার নির্বাচন, জনগণের নির্বাচন। জনগণের রায়ে সরকার গঠিত হলে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। তিনি ভোটের দিন ফজর নয় তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।