1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মালামাল না কিনে ভুয়া ভাউচারে বিদ্যালয়ের টাকা উত্তোলন, তদন্ত শুরু করেছে মাউশি চুনারুঘাটে র‍্যাবের অভিযানে কালভার্টের নিচে থেকে দেশীয় শটগান ও কার্তুজ উদ্ধার। মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ। নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‌ উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাধবপুরে এলজিইডির রাস্তার মাটি বিক্রির অভিযোগ বাগেরহাটে ৭টি অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস দিনাজপুরের খানসামায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত। গোয়াইনঘাটে ড্রিম সানসেটের নতুন শাখা উদ্বোধন, ২০০ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ। কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ ঘোড়াঘাটে ৩০ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ভরসা কেবল একজন ফার্মাসিস্ট

মালামাল না কিনে ভুয়া ভাউচারে বিদ্যালয়ের টাকা উত্তোলন, তদন্ত শুরু করেছে মাউশি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

 

আরিফুল ইসলম
মোহনগন্জ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি

মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সরঞ্জামাদি না কিনে ভুয়া বিল-ভাউচারে টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার সরঞ্জামাদি না কিনে ভুয়া বিল ভাউচারে টাকা উত্তোলন করার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ হলে ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আজ শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা.নাসির উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জামাদি কেনাকাটার জন্য পাঁচ লাখ ৬১ হাজার টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের সাইন্স ল্যাবের নানা রাসায়নিক, বইপুস্তক, গবেষণা সরঞ্জামাদি, শিক্ষা উপরকণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সরবরাহ করার কথা ছিল। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে গত ২২ ডিসেম্বর কার্যাদেশ পায় নেত্রকোনার মেসার্স ইউনিপ্যাক এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানকে ৭ দিনের মধ্যে উপকরণ সরবার করতে বলা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী আল আমিন নামে এক ব্যক্তি। এদিকে সরঞ্জামাদি বুঝে নিতে নিয়মানুযায়ী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সমন্বয়ে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের সাথে সমঝোতা করে সরঞ্জামাদি না কিনেই ভুয়া বিল ভাউচার জমা দেয় ঠিকাদার। আর ক্রয় সংক্রান্ত উপ-কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে সরঞ্জামাদি বুঝে পাওয়ার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে সমঝোতায় ঠিকাদারকে সরবারহের প্রত্যায়ন দেন প্রধান শিক্ষক। ওই প্রত্যয়ন জমা দিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি ভ্যাট-ট্যাক্স বাদে চার লাখ ৮০ হাজার ২৫৫ টাকা বিল তুলে নেন ঠিকাদার। ফলে সরঞ্জামাদি বঞ্চিত হয় বিদ্যালয়টি।

নিয়মানুযায়ী – দরপত্র আহ্বান করা হলে সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সরঞ্জামাদি বিদ্যালয়ে সরবরাহ করবেন ঠিকাদার। পাশাপাশি সরবরাহকৃত সরঞ্জামাদির বিল-ভাউচার জমা দেবেন। তবে সেইসব সরঞ্জামাদির পরিবর্তে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে নগদ টাকা উত্তোলন বিধিবহির্ভূত এবং আত্মসাতের শামিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ক্রয় সংক্রান্ত উপ-কমিটির সদস্য আজিজুল হক বলেন, কমিটির সদস্য হলেও এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কোন মালামালও বুঝে পাইনি। প্রধান শিক্ষকের কথা মতো স্বাক্ষর করেছি মাত্র। এছাড়া আর কিছু জানি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার আল আমিন বলেন, যথাযথ নিয়মে কমিটির সামনে সকল সরঞ্জামাদি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে তাদের প্রত্যায়ন নিয়ে টাকা উত্তোলন করেছি। নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।

তবে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বিভিন্ন উপকরণ কেনার দরপত্র হলেও ঠিকাদার কোন উপকরণ দেয়নি। আমরা নগদ টাকা তুলে নিয়েছি। খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কিছু টাকা খরচ করা হয়েছে। কোন উপকরণ এখনো কেনা হয়নি। পরে দরকার হলে উপকরণ কেনা হবে। বিষয়টি অনিয়ম কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর জানা নেই।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা.নাসির উদ্দীন বলেন, গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ ঘটনায় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে তদন্তের বিষয়ে বিদ্যালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট