1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গোপালগঞ্জে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক কে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান। গোয়াইনঘাটে বালুর আড়ালে ভারতীয় ৭৬ বস্তা জিরা,ট্রাক জব্দ ও চালক আটক! ফটিকছড়িতে গণশুনানি ছাড়া হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন  লাখাইয়ে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৪ কর্মী গ্রেফতার। হবিগঞ্জে বিজিবি অভিযানে ২৪টি ভারতীয় চোরাই গরু উদ্ধার। মাধবপুরে বাস ও পিকআপ ভ্যান সংঘর্ষে মহিলাসহ ৪ জন নিহত। মাধবপুর মহাসড়কে চাঁদাবাজি দায়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক। গোপালগঞ্জে শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৫ তম আবির্ভাব দিবস পালিত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির তান্ডবে লণ্ডভণ্ড ভুট্টাক্ষেত। জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্যোগে ২শ ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ফটিকছড়িতে গণশুনানি ছাড়া হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

 

এম এ আকবর বিশেষ প্রতিনিধি
প্রস্তাবিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় গণশুনানি ছাড়াই এবং অযুক্তিকভাবে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেলে হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে “জনস্বার্থ রক্ষা নাগরিক কমিটি”-এর আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ মুসা। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম. এ. কাশেম।
লিখিত বক্তব্যে হারুয়ালছড়িকে ফটিকছড়ির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, “আমাদের ইউনিয়নের বুক চিরে প্রবাহিত ফটিকছড়ি খাল—যার নাম অনুসারেই পুরো উপজেলার নাম ‘ফটিকছড়ি’ হয়েছে। ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ হারুয়ালছড়িকে বিচ্ছিন্ন করা মানে আমাদের শিকড়কে ছিন্ন করা।

বক্তারা আরও জানান, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন ফটিকছড়ি উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৬-৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যেখানে নারায়নহাট ও দাঁতমারার দূরত্ব যথাক্রমে ১৫ ও ২০ কিলোমিটার। প্রশাসনিক, শিক্ষাগত, ব্যবসায়িক ও চিকিৎসাসহ সব কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে ফটিকছড়ি সদরকেন্দ্রিক হওয়ায় এখানকার মানুষের সাথে সদর দপ্তরের সম্পর্ক গভীর ও বাস্তবভিত্তিক।
তারা প্রশ্ন তোলেন—যেখানে বর্তমান ব্যবস্থায় জনগণ সহজেই সেবা পাচ্ছে, সেখানে নতুন উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত করে কেন অযথা দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হবে?

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, যথাযথ কোনো গণশুনানি ছাড়াই স্থানীয় জনগণের মতামত উপেক্ষা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বক্তারা এক দফা এক দাবি তুলে ধরে বলেন, “হারুয়ালছড়িকে মূল ফটিকছড়ি উপজেলাতেই রাখতে হবে।

এ সময় তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে কঠোর আন্দোলনের পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও ঘোষণা দেন তারা। সংবাদ সম্মেলন শেষে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মাস্টার মোহাম্মদ মুসার সভাপতিত্বে এবং ইলিয়াস সানি মুন্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন—নুরুল ইসলাম মেম্বার, মোহাম্মদ হাসান, সাগর চৌধুরী, মুফতি বোরহান উদ্দিন মোহাম্মদ শফিউ বশর, অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী সিফাত, যতীন ত্রিপুরা, মাধব চক্রবর্তী, মামুন মেম্বার, ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, তৌফিক চৌধুরী, মাওলানা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কাদেরী, পংকজ দে এবং এনাম উদ্দিন চৌধুরী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট