1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাহুবলে মাদকসেবীর উচ্ছৃঙ্খলতার অপরাধে রমজান আলীকে ১বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। হবিগঞ্জ,সিলেট মৌলভীবাজার বাস মালিক সমিতির দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তি। বাহুবলে অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটায় ইউপি সদস্য শামীমকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা প্রদান। নবীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ,র‍্যাবের অভিযানে সিলেট থেকে তুহিন গ্রেফতার। বাদল মোড়ল হত্যাকাণ্ডে জামায়াতের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ, এলাকায় আতঙ্ক আজমিরীগঞ্জে ফুটবলের উন্নয়নে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত  গোপালগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরায় পুলিশের চাকুরী খেয়ে দেওয়ার হুমকি বিএনপি নেতার, মাধবপুরে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরায় পুলিশের চাকুরী খেয়ে দেওয়ার হুমকি বিএনপি নেতার। কতিপয় ব্যাক্তির হামলায় শিকার বৈছাআ নেতা মাহদী।

কোরবানি সত্য, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির অনন্ত আধ্যাত্মিক শিক্ষা।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

হজ ও কোরবানি ইসলামের দুটি মহান ইবাদত, যা কেবল বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর অন্তরে নিহিত রয়েছে গভীর আধ্যাত্মিক শিক্ষা, আত্মশুদ্ধির আহ্বান, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্ত সাধনা। ইসলামী শরিয়তের পাশাপাশি তাসাউফ বা সুফি দর্শনের আলোকে এই দুই মহান ইবাদত মানুষের অন্তর্জগৎকে পরিশুদ্ধ করে তাকে নফসের অন্ধকার থেকে রূহের আলোর দিকে পরিচালিত করে। হজ মানুষকে শেখায় আল্লাহর পথে আত্মার যাত্রা, আর কোরবানি শেখায় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয়তম আসক্তি পর্যন্ত ত্যাগ করার মহিমা। এ কারণেই সুফি-সাধকগণ হজকে “সফর ইলাল্লাহ” এবং কোরবানিকে “ফানা ফিল্লাহ” বলে অভিহিত করেছেন।

এই আধ্যাত্মিক উপলব্ধির আলোকে হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.জি.আ.)–এর এই কালজয়ী বাণী অশেষ তাৎপর্য বহন করে–“বড় বড় পশু কোরবানীর প্রতিযোগিতা নয়, বরং হৃদকন্দরে বিদ্যমান দুষ্ট দাম্ভিক পশুকে কোরবানী দিতে পারাটাই কোরবানীর সাফল্য।” এই বাণী ইসলামের অন্তর্নিহিত আত্মশুদ্ধির দর্শনকে অত্যন্ত গভীরভাবে প্রতিফলিত করে। কারণ ইসলামে কোরবানি কেবল পশু জবাইয়ের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং তা মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা অহংকার, লোভ, হিংসা, রিয়া, আত্মগর্ব ও পাশবিক প্রবৃত্তিকে দমন করার প্রতীক। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন— “আল্লাহর কাছে পৌঁছে না পশুর গোশত বা রক্ত বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া।” এই আয়াত স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয় যে, আল্লাহ বাহ্যিক আয়োজন বা সম্পদের প্রদর্শনী দেখেন না; তিনি মানুষের অন্তরের বিশুদ্ধতা, নিয়তের একনিষ্ঠতা এবং তাকওয়ার গভীরতা পর্যবেক্ষণ করেন।

বর্তমান সমাজে কোরবানির চেতনা অনেক সময় বাহ্যিক জাঁকজমক ও প্রতিযোগিতার ভিড়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কে কত বড় পশু কিনল, কার কোরবানির আয়োজন কত ব্যয়বহুল—এসব সামাজিক প্রতিযোগিতা ইবাদতের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে। ইসলামে লোকদেখানো ইবাদত বা “রিয়া” অত্যন্ত নিন্দনীয়। কারণ রিয়া মানুষের আমলকে বিনষ্ট করে এবং হৃদয়ে অহংকার সৃষ্টি করে। অথচ কোরবানির মূল শিক্ষা হলো বিনয়, আত্মত্যাগ এবং আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য। এই কারণেই সুফি সাধকগণ বাহ্যিক পশুর চেয়ে মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা “দুষ্ট দাম্ভিক পশু”কে জবেহ করার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করেছেন। তাসাউফের ভাষায় এই কুপ্রবৃত্তিকে বলা হয় “নফসে আম্মারা”—যে নফস মানুষকে অহংকার, লোভ, হিংসা ও পাপের দিকে ধাবিত করে।

সুফি দর্শনের মূলতত্ত্বই দাঁড়িয়ে আছে মানুষের ভেতরের দুই বিপরীত শক্তির সংঘাতের ওপর। একদিকে রয়েছে রূহ বা আল্লাহপ্রদত্ত নূরানী সত্তা, অন্যদিকে রয়েছে নফস বা পাশবিক প্রবৃত্তি। মানুষের প্রকৃত আধ্যাত্মিক সাধনা হলো এই নফসকে পরিশুদ্ধ করে রূহের জাগরণ ঘটানো। এ কারণেই সুফি-সাধকগণ নফসের বিরুদ্ধে সংগ্রামকে “জিহাদে আকবর” বা সর্বশ্রেষ্ঠ জিহাদ বলে অভিহিত করেছেন। বাহ্যিক কোনো পশুকে জবেহ করা যত সহজ, নিজের ভেতরের অহংকার ও “আমিত্ব”কে আল্লাহর মঙ্গলদায়ী ইচ্ছার কাছে বিলীন করা তার চেয়েও অসীম কঠিন। মাওলানা জালালুদ্দিন রুমি (র.) বলেন, “ইবরাহীম (আ.) পশুর উপর ছুরি চালিয়েছিলেন; আর আরেফগণ (খোদা পরিচিতিজ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ) ছুরি চালান নিজের নফসের উপর।” অর্থাৎ প্রকৃত কোরবানি তখনই সম্পূর্ণ হয়, যখন মানুষ নিজের ভেতরের পাশবিকতাকে দমন করতে সক্ষম হয়।

কোরবানির ইতিহাস মূলত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ও নফস দমনের এক অনন্য মহাকাব্য। হযরত ইবরাহীম (আ.) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাঁর সবচেয়ে প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাঈল (আ.)–কে কোরবানি করার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন। এই ঘটনা কেবল একটি ঐতিহাসিক স্মৃতি নয়; বরং এটি মানুষের জন্য চিরন্তন শিক্ষা যে, আল্লাহর প্রেমে নিজের আসক্তি, স্বার্থ ও অহংকারকে বিসর্জন দিতে হয়। সুফি তত্ত্ববিদদের মতে, হযরত ইবরাহীম (আ.) বাহ্যিক কোরবানির পূর্বেই নিজ অন্তরে পিতৃস্নেহের আসক্তিকে কোরবানি করেছিলেন। আর এ কারণেই তাঁর কোরবানি মানবজাতির জন্য আত্মসমর্পণের সর্বোচ্চ আদর্শে পরিণত হয়েছে।

এই ইবরাহীমী আত্মত্যাগেরই পরিপূর্ণ, জাগ্রত ও হৃদয়বিদারক প্রতিচ্ছবির প্রকাশ পায় কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) তথা নবী পরিবারের শাহাদাত বরণে। কারবালার প্রান্তর কেবল একটি যুদ্ধক্ষেত্র ছিল না; বরং তা ছিল সত্য ও মিথ্যার, ন্যায় ও অন্যায়ের, আত্মসমর্পণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আত্মত্যাগের এক মহিমান্বিত ময়দান। ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবার, সন্তান, সাথী এবং নিজের জীবন পর্যন্ত আল্লাহর দ্বীন ও সত্যের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। এই আত্মোৎসর্গ রাজনৈতিক প্রতিরোধকে ছাপিয়ে ইবরাহীমী কোরবানির পূর্ণ বাস্তবায়ন ছিল।

কারবালার মর্মবাণী হলো— আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সত্যের পথে অবিচল থাকা। যদি তার বিনিময়ে জীবন, পরিবার ও দুনিয়ার সবকিছু হারাতে হয় তবুও। ইমাম হোসাইন (রা.) প্রমাণ করেছেন, প্রকৃত কোরবানি কেবল পশুর রক্ত প্রবাহিত করায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং সত্য, ন্যায় ও ধর্ম প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনে নিজের রক্ত দেয়া কোরবানির মৌলিক দাবি। তাঁর শাহাদাত ইসলামী ইতিহাসে তাকওয়া, ধৈর্য, আত্মসমর্পণ ও আল্লাহপ্রেমের এক চিরন্তন আলোকস্তম্ভ হয়ে আছে। সুফি সাধকগণ তাই কারবালাকে “ইশকের কোরবানি” বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ সেখানে দুনিয়াবী ক্ষমতার কাছে মাথানত না করে আল্লাহর সত্যকে বিজয়ী করার জন্য আত্মত্যাগের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছিল।

কারবালার এই শিক্ষা মানুষের অন্তরের নফস দমনের সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। যেমন, ইয়াজিদ ছিল অত্যাচারের প্রতীক। তেমনি মানুষের অন্তরের অহংকার, লোভ ও ক্ষমতার মোহ একেকটি ইয়াজিদী সত্ত্বা। আর ইমাম হোসাইন (রা.)–এর পথ হলো সেই ইয়াজিদী সত্ত্বার বিরুদ্ধে আত্মার সংগ্রাম। এই কারণেই তাসাউফে বলা হয়— “প্রত্যেক মানুষের হৃদয়ে একটি কারবালা রয়েছে।” সেখানে প্রতিনিয়ত সত্য ও প্রবৃত্তির যুদ্ধ চলমান। যে ব্যক্তি নিজের নফসকে পরাজিত করতে পারে, সেই প্রকৃত হোসাইনী চেতনার ধারক হয়ে ওঠে।

হজের প্রতিটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেও গভীর আধ্যাত্মিক শিক্ষা নিহিত রয়েছে। ইহরামের সাদা পোশাক মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় মৃত্যুর কাফনের কথা, দুনিয়ার সকল ভেদাভেদ ভুলে আল্লাহর সামনে সমতার অবস্থান এবং অহংকারমুক্ত জীবনের শিক্ষা। কাবা শরীফকে কেন্দ্র করে তাওয়াফ করা বোঝায়, মানুষের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত একমাত্র আল্লাহ। যেমন সমগ্র মহাবিশ্ব একটি কেন্দ্রকে ঘিরে আবর্তিত হয়, তেমনই মুমিনের হৃদয়ও আল্লাহর প্রেমকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়া উচিত। জালালুদ্দিন রুমি (র.) বলেছেন, “তুমি কাবার চারপাশে যতবার ঘুরো, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো হৃদয়কে আল্লাহর চারপাশে প্রদক্ষিণ করানো।”

একইভাবে সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাঈ (দৌড়ানো) মানুষকে শিক্ষা দেয় ধৈর্য, চেষ্টা এবং আল্লাহর উপর নির্ভরতার সমন্বয়। হযরত হাজেরা (আ.)–এর নিজ দুগ্ধপোষ্য শিশুর জন্য পানির সন্ধানে দৌড়ানো কেবল মাতৃত্বের ত্যাগের প্রতীক নয়; বরং এটি মানুষের জীবনের সংগ্রামেরও প্রতীক। মানুষ দুনিয়ায় জীবিকার সন্ধানে দৌড়াতে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি যেন আল্লাহর রহমতের সন্ধানে ছুটে চলা হয়। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান মানুষকে কিয়ামতের ময়দানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যেখানে ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা সবাই সমানভাবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াবে। সেখানে মানুষ উপলব্ধি করে নিজের ক্ষুদ্রতা এবং আল্লাহর অনন্ত মহিমা।

হজ ও কোরবানির মানবিক তাৎপর্যও অত্যন্ত গভীর। ইসলাম এই ইবাদতের মাধ্যমে সমাজে সাম্য, মৈত্রী, সহমর্মিতা এবং ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়। কোরবানির গোশত গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টন করার শিক্ষা মানুষকে আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে মানবকল্যাণের দিকে পরিচালিত করে। প্রকৃত কোরবানি মানুষের হৃদয়কে কোমল করে, অহংকার ভেঙে দেয় এবং তাকে অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। মাইজভাণ্ডারী তরিকার মূল দর্শনও গড়ে উঠেছে “তাজকিয়াতুন নফস” বা আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম এবং বিশ্বভ্রাতৃত্বের ভিত্তির ওপর। এই ধারায় বাহ্যিক আচার অপেক্ষা অন্তরের পবিত্রতাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরিশেষে বলা যায়— হজ, কোরবানি এবং কারবালার শাহাদাত— এই তিনটি বিষয় মূলত একই আধ্যাত্মিক সত্যের ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ। হজ শেখায় আত্মাকে আল্লাহর দিকে যাত্রা করাতে, কোরবানি শেখায় নিজের নফস ও আসক্তিকে জবেহ করতে, আর কারবালা শেখায় সত্য ও ন্যায়ের জন্য নিজের সর্বস্ব উৎসর্গ করতে। যেদিন মানুষ নিজের ভেতরের অহংকার, লোভ, হিংসা, রিয়া ও পাশবিক প্রবৃত্তিকে কোরবানি দিতে সক্ষম হবে, সেদিনই তার হৃদয়ে জাগ্রত হবে প্রকৃত তাকওয়া, প্রতিষ্ঠিত হবে মানবতা এবং অর্জিত হবে মহান আল্লাহর পরম নৈকট্য। আর তখনই বাস্তবায়িত হবে কোরবানির প্রকৃত আধ্যাত্মিক ও মানবিক মহিমা।

দরবারে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর গাউসিয়া হক মঞ্জিলের সম্মানীত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.জি.আ.) কেবলা কাবার রেজামন্দিতে আমরা যেন নিজেদের জীবন পরিচালনা করতে পারি এবং পবিত্র হজ্জ ও পবিত্র কোরবানির মাহাত্ম্যপূর্ণ শিক্ষা “আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন”- ধারণ করে সমাজ, দেশ, জাতি ও বিশ্বের আর্ত-মানবতার খেদমতে নিয়োজিত হয়ে বিশ্ব-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে সেই ফরিয়াদ করছি-
আমিন,ইয়া রাব্বাল আলামীন।

এলাহি বেহুরমতে রহমতুল্লিল আলামীন, সাইয়েদিল মোরসালিন (দ.)
ওয়া বেহুরমতে হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.),
ওয়া বেহুরমতে হযরত বাবা ভাণ্ডারী (ক.),
ওয়া বেহুরমতে ফানায়ে ওয়াছেল মাইজভাণ্ডারী (ক.),
ওয়া বেহুরমতে অছি এ গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.),
ওয়া বেহুরমতে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হক ভাণ্ডারী (ক.),
ওয়া বেহুরমতে রাহবারে আলম রহমতে আলম মওলা হুজুর মাইজভাণ্ডারী (ম.জি.আ.) কেবলা কাবা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট