1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সত্যের পথে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ। কাশিয়ানীতে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদকসহ গ্রেপ্তার এক বাগেরহাটে গনভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল । সাংবাদিকতার সরকারি নীতিমালা ছাড়া সংগঠন এর মূল্য নেই সাংবাদিক কামাল প্রধান। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল  মাধবপুরে ৭৮ লক্ষ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস ও জিরা জব্দ কোটালীপাড়ায় দুই মাদক সেবিকে ছয় মাসের সাজা ও ২হাজার টাকা অর্থদণ্ড । সীমানা প্রাচীরের অভাবে ঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কোটালীপাড়ায় ভেজাল গুড় কারখানায় অভিযান: ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ঘোড়াঘাটে আদিবাসী শিক্ষার্থী ও দুস্থ পরিবারে অনুদান বিতরণ।

ঘোড়াঘাটে ঘন কুয়াশা কাটতেই বোরো চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষক।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

সাহারুল ইসলাম ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় প্রকৃতি থেকে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের প্রভাব কমতে শুরু করার সাথে সাথেই মাঠের দৃশ্যপট বদলে গেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে কৃষকরা তাদের বোরো ধান আবাদ নিয়ে যে গভীর দুশ্চিন্তায় ছিলেন এখন তা অনেকটাই কেটে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে আসায় স্থানীয় কৃষকরা নতুন উদ্যমে বোরো ধানের চারা রোপণে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।

উপজেলার গ্রামগুলোতে এখন ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই শুরু হচ্ছে জমি তৈরি ও চারা রোপণের মহোৎসব।
ঘোড়াঘাটের বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে যে চাষিরা কেউ জমিতে সেচ দিচ্ছেন আবার কেউ ট্রাক্টর দিয়ে জমি সমান করছেন।

অনেক জায়গায় দলবদ্ধ হয়ে কৃষি শ্রমিকরা চারা রোপণের কাজ করছেন যা স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন গতির সঞ্চার করেছে। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে কনকনে ঠান্ডার সময় চারা রোপণ করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল এবং বীজের সুস্থতা নিয়ে তারা শঙ্কিত ছিলেন।

তবে রোদের দেখা মেলায় সেই শঙ্কা এখন নেই বললেই চলে। অনেক চাষি জানান যে আবহাওয়া যদি এমন স্বাভাবিক থাকে তবে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যা তাদের সারা বছরের খোরাকি জোগাবে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে যে এবারের মৌসুমে ঘোড়াঘাট উপজেলায় বোরো আবাদের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। বিশেষ করে পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ এবং সেচ ব্যবস্থাপনায় মিতব্যয়ী হওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কৃষকদের অভিমত হলো যদি সার ও ডিজেলের সরবরাহ ঠিক থাকে এবং বিদ্যুতের লোডশেডিং না হয় তবে তারা ভালো লাভ করতে পারবেন। উত্তরের এই জনপদে কৃষিই যেহেতু আয়ের প্রধান উৎস তাই বোরো চাষের ওপরই নির্ভর করে হাজারো কৃষকের ভাগ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং সঠিক সময়ে কৃষি সরঞ্জাম পাওয়ায় পুরো এলাকায় এক ধরনের কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে যা দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মুখে এখন কেবল ফসলের সুদিনের গল্প যা গ্রামীণ জনপদে খুশির হাওয়া বইয়ে দিচ্ছে।
১৬-২-২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট