
পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস , জেলা প্রতিনিধি (গোপালগঞ্জ)
গোপালগঞ্জে কোটালীপাড়া উপজেলার সোনালী ব্যাংকের ঘাঘর শাখায় এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় জানাজানি হলে ব্যাংকসহ এলাকা জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় হইছে।
জানাগেছে, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে আল-আমিন শেখ নামে এক গ্রাহক হজে যাওয়ার টাকা জমা দেওয়ার জন্য সোনালী ব্যাংক ঘাঘর বাজার শাখায় যায়। ব্যাংকে যাওয়ার পরে অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হকের কাছে তিনি পাঁচ লক্ষ টাকা জমা দেন।
টাকা জমা দেওয়ার পরে চার হাজার পাঁচ শত টাকা কম আছে বলে গ্রাহক আলামিন শেখকে অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হক জানায়। আল-আমিন শেখ পুরো পাঁচ লক্ষ টাকা তিনি জমা দিয়েছেন বলে অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হক বলেন। এ নিয়ে দুজনার মধ্যে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক।
এক পর্যায়ে গ্রাহক আল-আমিন শেখ চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে ব্যাংকের ম্যানেজার ফয়সাল হোসেনের কাছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় গ্রাহক আল-আমিন শেখ পুরো পাঁচ লক্ষ টাকা জমা দিয়েছেন। অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হক পাঁচ শত টাকার নয়টি নোট অন্যত্র সরিয়ে রাখে।
গ্রাহক আল আমিন শেখ বলেন, হজে যাওয়ার জন্য আজকে সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখায় গিয়ে আমি অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হকের কাছে ৫ লক্ষ টাকা জমা দেই। কিছুক্ষণ পরে ফৈজিয়া হক জানান চার হাজার পাঁচ শত টাকা কম আছে। আমি ম্যানেজারের কাছে গিয়ে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখতে চাই। এর আগেও অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হক আমার দুই হাজার টাকা সরিয়ে ফেলেছিল। আমি এই অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়ার শাস্তি দাবি করছি।
অফিসার ক্যাশ ফৈজিয়া হক বলেন, ব্যাংকে অনেক ভীড় থাকায় ভুলবসত এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে। আমি তার চার হাজার পাঁচ শত টাকা ফেরত দিয়েছি।
সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখার ম্যানেজার ফয়সাল হোসেন বলেন, একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে আলামিন শেখের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।