মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ছাতিয়াইনে দাদন ব্যবসায়ী নানুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব শত পরিবার! শাহপুর বন বিটে গভীর রাতে গাছ চুরি: ট্রাক্টরসহ ২ চোর আটক। বাহুবলের মিরপুরে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ পানছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন গোপালগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস- ২০২৬ উদযাপিত নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। এইচএসসি ফলাফল ২০২৬: আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজের চিত্র ও উত্তরণের উপায়। ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও সাফল্য ধরে রেখেছে জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ। পানছড়িতে বিজিবির অভিযানে সেগুন গামারি খাট জব্দ। মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে বিশ্ব সুফী সংস্থার আলোচনা সভা ও হবিগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন!
Title :
ছাতিয়াইনে দাদন ব্যবসায়ী নানুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব শত পরিবার! শাহপুর বন বিটে গভীর রাতে গাছ চুরি: ট্রাক্টরসহ ২ চোর আটক। বাহুবলের মিরপুরে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ পানছড়িতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন গোপালগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস- ২০২৬ উদযাপিত নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। এইচএসসি ফলাফল ২০২৬: আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজের চিত্র ও উত্তরণের উপায়। ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও সাফল্য ধরে রেখেছে জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ। পানছড়িতে বিজিবির অভিযানে সেগুন গামারি খাট জব্দ। মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে বিশ্ব সুফী সংস্থার আলোচনা সভা ও হবিগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন!

ছাতিয়াইনে দাদন ব্যবসায়ী নানুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব শত পরিবার!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্ট।। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সোয়াই মিয়ার ছেলে নানু।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ সুদে টাকা ঋণ দিয়ে ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্প ও স্বাক্ষর করা ব্যাংক চেক নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারলে ঋণগ্রহীতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, এমনকি মারধরের অভিযোগও উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, সুদের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। কেউ বিক্রি করেছেন পৈতৃক সম্পত্তি, কেউ হারিয়েছেন বসতভিটা, আবার কেউ বাধ্য হয়েছেন এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে।

অভিযোগ রয়েছে, ছাতিয়াইন ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে এই দাদন ব্যবসা বিস্তৃত হয়েছে। ঋণ দেওয়ার সময় গ্রহীতাদের কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্প ও চেক নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সুদের টাকা পরিশোধে বিলম্ব হলে ওই চেকে ইচ্ছামতো টাকার অঙ্ক বসিয়ে মামলা করার ভয় দেখানো হয়। এমনকি দাবিকৃত টাকা পরিশোধের পরও অনেকের কাছ থেকে নেওয়া ফাঁকা স্ট্যাম্প ও চেক ফেরত দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।

চড়া সুদের কারবারের ভয়াবহ পরিণতির একটি উদাহরণ ছাতিয়াইন গ্রামের প্রয়াত আব্দুল কাদিরের পরিবার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আঃ হাফিজের ছেলে আব্দুল কাদির ও তাঁর ভাই আব্দুল আলী একসময় পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ২০১২ সালে কাদির স্থানীয় নানুর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা সুদে ঋণ নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তী চার বছরে সুদে-আসলে ওই ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩০ লাখ টাকায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নানুর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews