1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ। নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‌ উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাধবপুরে এলজিইডির রাস্তার মাটি বিক্রির অভিযোগ বাগেরহাটে ৭টি অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস দিনাজপুরের খানসামায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত। গোয়াইনঘাটে ড্রিম সানসেটের নতুন শাখা উদ্বোধন, ২০০ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ। কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ ঘোড়াঘাটে ৩০ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ভরসা কেবল একজন ফার্মাসিস্ট ঘোড়াঘাটে ২৬শে মার্চ উপলক্ষে প্রস্তুতি মুলক সভা ও দূর্যোগ বিষয়ক র‍্যালী অনুষ্ঠিত।  চট্টগ্রাম শীতাকুন্ড জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার।

গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের ১৭ কোটি টাকা লোপাটের আশংকা!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের ১৭ কোটি টাকার কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ার ব্যাপারে তথ্য মিলেছে। তবে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলেও অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুন্সি আতিয়ার রহমান এবং সকল সদস্যরা মিলে কারসাজি করে সমুদয় অর্থ প্রকল্পের কাজ দেখিয়ে ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একটি বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান এবং সদস্যরা সম্প্রতি অপসারিত হওয়ার পূর্বে গোপালগঞ্জ সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় এফডিআর করা ওই ১৭ কোটি টাকা উত্তোলন করে। পরে জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের চাপ দিয়ে ওই টাকার কিছু পরিমান প্রকল্প তৈরি করেন। এসব প্রকল্পের সভাপতি হন জেলা পরিষদের নির্বাচীত জনপ্রতিনিধিরা । অল্প সময়ের মধ্যেই এসব প্রকল্পের কাজ না করেই কাজ সমাপ্ত দেখিয়ে বিল তুলে নেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সকল সদস্যরা।
গোপন সূত্রে এ খবর পাওয়ার পর জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো: সাদিকুর রহমানকে বারবার জিজ্ঞাসা করা হলেও তিনি কোনো তথ্য প্রদান করতে আগ্রহ প্রকাশ করেননি। পরে জেলা পরিষদের অফিস সহকারী জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়টির কিছু সত্যতা রয়েছে। ব্যাংক থেকে এফডিআর ভাঙ্গিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তবে কোনো প্রকল্পের বিনিময়ে কাউকে বিল প্রদান করা হয়নি। এফডিআর করা হয়েছিলো সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হকের সময়। সে অর্থ আরেকটি একাউন্টে রয়েছে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্ত ও বিনা ভোটে নির্বাচীত সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান এবং সকল সদস্যবৃন্দ অপসারীত হওয়ার পূর্বে অপচেষ্টা করেছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে অর্থ হাতিয়ে নিতে। আসলে প্রকল্প তৈরি হলেও তা অনুমোদন হয়নি। আমি ওই অপচেষ্টার বিরোধিতা করেছিলাম বলে আমাকে অনেক চাপ সহ্য করতে হয়েছে। তারা অর্থ হাতিয়ে নিতে পারেনি।
অফিস সহকারী জাকির হোসেনের কাছে এ সংক্রান্ত নথিপত্র এবং ব্যাংকের হিসাব সম্পর্কে বিস্তারিত দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে রাজী হননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট