শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
লালমাইয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, বিশাল র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হাজীগঞ্জে ১৫ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার। হবিগঞ্জে নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল।উদ্ধার, ৪ জন আটক  বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা। জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম । লালমাইয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের করুণ মৃত্যু বাগমারা বাজারে যানজট নিরসনে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের সাঁড়াশি অভিযান। হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল, ১৫০টি পাইপ ধ্বংস। চুনারুঘাটে ‘স’মিলে অভিযানে সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ। হবিগঞ্জে ২ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা।
Title :
লালমাইয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, বিশাল র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হাজীগঞ্জে ১৫ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার। হবিগঞ্জে নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল।উদ্ধার, ৪ জন আটক  বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা। জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম । লালমাইয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের করুণ মৃত্যু বাগমারা বাজারে যানজট নিরসনে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের সাঁড়াশি অভিযান। হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল, ১৫০টি পাইপ ধ্বংস। চুনারুঘাটে ‘স’মিলে অভিযানে সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ। হবিগঞ্জে ২ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা।

ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৩৫ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শসা চাষ। চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। পানির ওপর মাচায় হলুদ-সাদা ফুল কিংবা থরে থরে ঝুলছে শসা। এমন দৃশ্যই দেখা যায় মাগুরার বিভিন্ন মাঠ ও খেত খামারে। এবার শসার আবাদও ভালো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো। এতে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। শসার বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরা শুরু হয়।

বিঘাপ্রতি খরচ হয় ১০ হাজার আর বিক্রি হয় ২০ হাজার টাকায়। লাভ বেশি হওয়ায় শসার চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।

সদর উপজেলার ট্যাংগাখালী মাঠ ঘুরে দেখা যায়, শসার পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পাইকারদের কাছে শসা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অনেক কৃষক। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের কাছে প্রতি মণ শসা ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন তারা।

শসা চাষি পারভেজ বলেন, এ মৌসুমে দুই একর জমিতে শসার আবাদ করেছেন, যাতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। এতে বিক্রি হবে ২ লাখ টাকার বেশি। এবার আবহাওয়া ভালো। বাজারে শসার ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

গোমকোট গ্রামের শসা চাষি কামাল হোসেন বলেন, প্রায় দেড় একর জমিতে শসার আবাদ করেন তিনি। প্রথমবার অধিক বৃষ্টির ফলে অনেক গাছ মারা যায়। পরে আবার গাছ লাগাই। এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে শসা বিক্রি শুরু করব। কিন্তু কৃষি অফিসার বা তাদের অফিস থেকে কোনো সুযোগ পাইনি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, এ মৌসুমে মাগুরা জেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়।

আবহাওয়া ভালো থাকায় বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। এছাড়া কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান এ কৃষি কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম ।

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews