1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আজমিরীগঞ্জে শতাধিক নেতাকর্মীদের নিয়ে আহমেদ আলী মুকিবের ধানের শীষের প্রচারণা।  স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের পক্ষে ভোটের প্রচারণা।   গোয়াইনঘাটে মালয়েশিয়া প্রবাসী জুবের আহমদ’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে সংবর্ধনা বাহুবলে টমটম চালক কাশেম হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার। হবিগঞ্জে,১১ দলীয় জোটের জামায়েতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমেদ সমর্থনে প্রচারণা অনুষ্ঠিত। মোহনপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মায়ের মাথায় আঘাত পাংশায় বারোপল্লী মহাশ্মানে কালীপ্রতিমা ভাঙচুর শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জামায়াতে যোগ দিলেন চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান। মাধবপুরে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলনে মোবাইল কোর্টে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা। নরসিংদীর শিবপুরে ধানের শীষ মার্কার উঠান বৈঠকে ভোট চাইলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।

ভারতে দ্রুত  ফুরিয়ে আসছে শেখ হাসিনার থাকার সময় আর মাত্র ২৫ দিন থাকতে পারবেন! 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩০০ বার পড়া হয়েছে

মীর দুলাল বিশেষ প্রতিবেদন!

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। সেখান থেকে যুক্তরাজ্যে যেতে চেয়েও পারেননি। তাই গত ৫ আগস্ট থেকে বাধ্য হয়ে ভারতেই থাকতে হচ্ছে তাকে।

আজ শনিবার ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতেও শেখ হাসিনার সময় ফুরিয়ে আসছে। কেননা শেখ হাসিনার কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট বাতিল করেছে বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকার।

তার কাছে আর কোনো পাসপোর্ট নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের একটি সূত্র।

ভারতীয় ভিসানীতির আওতায় কূটনৈতিক বা অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই সেখানে প্রবেশ করতে পারেন। এরপর তারা ৪৫ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতে পারেন।

আজ পর্যন্ত শেখ হাসিনা ভারতে কাটিয়েছেন ২০ দিন।

সেখানে বৈধভাবে তার থাকার সময় শেষ হয়ে আসছে। কেননা নিয়ম অনুযায়ী সেখানে তিনি আর ২৫ দিন থাকতে পারবেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল হওয়ার ফলে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে শেখ হাসিনার।

সেখানে তার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৫১টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি হত্যা মামলা।

 

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়টি ২০১৩ সালে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে হওয়া প্রত্যর্পণ চুক্তির মধ্যে পড়বে, যা ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়। চুক্তিতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলায় আসামি হলে অভিযুক্তকে প্রত্যর্পণ বা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানানো যাবে।

কিন্তু এই চুক্তিতে হত্যা মামলার বিষয়টি স্পষ্টভাবে রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে রাখা হয়েছে।

তবে মামলাটি ‘ন্যায়বিচারের স্বার্থে হয়’ হলেও দুই দেশ অভিযুক্তকে প্রত্যর্পণ করা থেকে বিরত থাকতে পারে বা অস্বীকৃতি জানাতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট