1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চুরি মামলা তুলে নেয়ায় সাংবাদিকে কুপিয়ে জখম আঙুল বিচ্ছিন্ন প্রধানমন্ত্রীর সহিত গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাক্ষাৎ খাগড়াছড়ি জোন কর্তৃক ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন। লাখাইয়ে মাদ্রাসার সরকারি বই পাচার চেষ্টার অভিযোগে ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়। আজমিরীগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভায় মাদক ও জুয়ার বিস্তার এবং জননিরাপত্তা সংকট। কোটালীপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে লক্ষাধিক টাকার সম্পদ পুড়ে ছাই। পানছড়ি কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদ ইমামের আবেগঘন  বিদায় নিলেন মাওঃ দলিলুর রহমান। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  বাগেরহাটে হত দরিদ্রদের মাঝে যাকাতের ছাগল ও সেলাই মেশিন বিতরণ ঘোড়াঘাটে বিএনপির ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মাতার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ অনুষ্ঠিত। 

কোটালীপাড়ায় ফুট চাষীদের মাথায় হাত

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

পলাশ বিশ্বাস ,জেলা প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায় ব্যাপক ফুটের চাষ হলেও উপযুক্ত দামের অভাবে ক্ষতির মুখে পরতে হচ্ছে । প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও ফুট চাষীরা ঋণ করে দুই থেকে তিন বিঘা জমিতে ফুটের চাষ করেছেন। চাষের শুরুতে গাছে ভালো ফলন ধরলেও ফুট বিক্রির সময় ন্যায্য মূল্যের অভাবে চষীদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে । ফুটের উপযুক্ত মূল্য না থাকায় বাজারে ফুট বিক্রি হচ্ছে গামলা হিসেবে। এখানে প্রতি পিস বা কেজীর মূল্যমানে ফুট বিক্রি হচ্ছে না । ফুটের দাম এতটাই নিম্নমুখী ক্রেতারা কয়েকটি ফুট গামলায় উঠিয়ে অনুমানের ভিত্তিতে গামলা প্রতি ৭০ টাকা ফেকে ৮০ টাকা হিসেবে বিক্রি করছে যা কোনভাবেই বিগত বছরের বাজারের সঙ্গে মিল নেই। স্থানীয় চাষী সুভাষ হাজরা আমাকে বলেন , ধার- দেনা করে তিন বিঘা জমিতে ফুটের চাষ করেছি। কিন্তু বর্তমানে ফুটের বাজার মূল্য যা তাতে ধার- দেনা কোনভাবেই পরিশোধ করে লাভের মুখ দেখা সম্ভব নয় । সারা বছর ছেলে-মেয়েদের সংসার খরচ বহন করাই কষ্ট হবে । ধারের
টাকা কিভাবে পরিশোধ করব । হতাশায় চাষী সুভাষ হাজরা মাথায় হাত দিয়ে বিক্রয় কেন্দ্রে উপযুক্ত ক্রেতার অপেক্ষা রয়েছে । পুরাতন অভিজ্ঞ চাষী ভবানন্দ বিশ্বাসকে দামের এই নিম্নমুখীর কারণ জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারে ফুটের চাহিদা কম থাকায় ক্রেতার সমাগম নেই এবং ফুটের চাষ স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেশি। তাই ফুটের বাজার নিম্নমুখী । দামের এই নিম্নমুখীর কারণে ফুট চাষীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে । আগামী বছরে হয়তো চাষীরা ফুট চাষ ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় ঢুকবে , এটাই সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা। তবে সাবেক মেম্বার সুজন ফলিয়া বলেন , সরকার যদি কৃষি মন্ত্রলার মাধ্যমে চাষীদের স্বল্প সুদে ঋণ ও ভর্তুকী দিয়ে থাকে তাহলে চাষীরা হয়তো আগামী বছরেও ফুট চাষের উপর নজর দিতে পারে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট