1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কতিপয় ব্যাক্তির হামলায় শিকার বৈছাআ নেতা মাহদী। বানিয়াচংয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাওহীদ হাসানের সমর্থনে নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত। আওয়ামী লীগের দলীয় পদথেকে অব্যাহতি চেয়ে দুই নেতার সংবাদ সম্মেলন। পরিবেশ সুরক্ষায় জাফলংয়ে এফআইভিডিবির গাছের চারা বিতরণ  ঘোড়াঘাটে গ্রাম আদালতের দিনব্যাপী কর্মশালা ৪টি ইউনিয়নে মামলা নিষ্পত্তির হার প্রশংসনীয়। মাধবপুরের বেজুড়ায় বালুবাহী ড্রামট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে ২জন নিহত মাধবপুরের বেজুড়ায় বালুবাহী ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে ২জন নিহত মাধবপুরের বেজুড়ায় বালুবাহী ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত। বাহুবলে সিলিকা বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড। কোটালীপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতি রোধ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক পথসভা অনুষ্ঠিত।

ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব, শিক্ষকের অপসারণোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন! 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

 

এক ছাত্রীকে কু-প্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. হাদিছ মিয়ার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। রোববার বেলা ১২টার দিকে সমাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তাদের সাথে অভিভাবকরাও অংশ নেয়।সম্প্রতি ওই শিক্ষকের একটি অডিও কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শোনা যায় ওই শিক্ষক এক ছাত্রীকে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কু-প্রস্তাব দিচ্ছেন।কল রেকর্ডটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।শিক্ষার্থী -অভিভাবক সহ এলাকাবাসীও শিক্ষক হাদিছ মিয়ার অপসারণ দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। এরই জেরে সামনে আসে ওই শিক্ষকের আরও নানান অনিয়ম। শিক্ষার্থীরা জানায়, সহকারী প্রধান শিক্ষক হাদিছ মিয়া শিক্ষার্থীদেরকে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। অন্যথায় ফেল করানোর হুমকি দেন। এতে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে চলে গেছে। এছাড়া ছাত্রীদের সুযোগ সুবিদার দেওয়ার প্রলোভনে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দেন। দ্রুত ওই শিক্ষকের অপসারণ না করা হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুনকি দেয় শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি শিক্ষক হাদিছ মিয়াকে বিদয়ালয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা।২ ঘণ্টা বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ত্যাগ করে।এদিকে অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক হাদিছ মিয়া নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এবং অডিও কল রেকর্ডটিকে তিনি এআই দিয়ে তৈরি এডিট বলে দাবি করে বলেন, এসব ষড়যন্ত্র। ফাঁস হওয়া অডিও কল রেকর্ডে শিক্ষকের সাথে কথা বলা ওই ছাত্রী জানান, কল রেকর্ডটি এডিট নয়। শিক্ষক হাদিছ উদ্দিনের সাথে পরীক্ষার বিষয় নিয়ে কথা বললে তিনি আমাকে কু-প্রস্তাব দেন। কল রেকর্ডটি কিছুদিন আগের। ওই ঘটনায় আমি স্কুলে গিয়েও সেসময় প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট