1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রীমতপুর গ্রামে নিরীহ পরিবারের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে সোহেল চক্র। বাগেরহাট প্রেসক্লাবে ইফতার মাহফিলে ঐকবদ্ধ ৪ এমপি নরসিংদীর শিবপুরে মেডিকেল কলেজ হবে আলহাজ্ব মনজুর এলাহী এমপি। দিনাজপুরের কাহারোলে শাহাপাড়া খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মালামাল না কিনে ভুয়া ভাউচারে বিদ্যালয়ের টাকা উত্তোলন, তদন্ত শুরু করেছে মাউশি চুনারুঘাটে র‍্যাবের অভিযানে কালভার্টের নিচে থেকে দেশীয় শটগান ও কার্তুজ উদ্ধার। মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ। নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা‌ উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। মাধবপুরে এলজিইডির রাস্তার মাটি বিক্রির অভিযোগ বাগেরহাটে ৭টি অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

হবিগঞ্জের মাধবপুরে হত্যা মামলায় ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

 

মীর দুলাল বিশেষ প্রতিবেদক!

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পরকীয়ার জেরে এক দিনমজুরকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২) একেএম কামাল উদ্দিন এ রায় দেন।
বিচারক আসামিদের প্রত্যেককে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া এ হত্যা মামলার অপর আসামি মারাজ মিয়ার আগেই মৃত্যু হওয়ায় আদালত তাকে অব্যাহতি দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মাধবপুর উপজেলার বার চান্দুরা গ্রামে মোহাম্মদ আলীর ছেলে এমরান মিয়া, একই গ্রামের মারাজ মিয়ার ছেলে সোলেমান মিয়া, প্রয়াত হরমুজ আলীর ছেলে জাহেদ মিয়া ও মুরাদপুর গ্রামের মৌলা মিয়া ছেলে আবুল মিয়া।
মামলায় অভিযোগের বরাতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার তপন সিংহ জানান, বার চান্দুরা গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে দিনমজুর ছাবু মিয়ার স্ত্রীর সাথে আসামিদের একজনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল।
এর জেরে ২০০৯ সালের ১৩ এপ্রিল ছাবুকে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় ছাবু মিয়ার ভাই হাফিজ মিয়া তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। একই বছরের ২১ মে মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। প্রায় ১৬ বছরে ধরে বিচার কাজে তের জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট