1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দিনাজপুরের খানসামায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত। গোয়াইনঘাটে ড্রিম সানসেটের নতুন শাখা উদ্বোধন, ২০০ মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ। কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ ঘোড়াঘাটে ৩০ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ভরসা কেবল একজন ফার্মাসিস্ট ঘোড়াঘাটে ২৬শে মার্চ উপলক্ষে প্রস্তুতি মুলক সভা ও দূর্যোগ বিষয়ক র‍্যালী অনুষ্ঠিত।  চট্টগ্রাম শীতাকুন্ড জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার। মাধবপুরে ১কোটি ৫৫ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা ও চশমা জব্দ। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম: কাগজে-কলমে কেনাকাটা, বাস্তবে মালামাল শূন্য বিদ্যালয় পাইলটিং পর্যায়ে রাজবাড়ীতে ফ‍্যামিলি কার্ড বিতরণ। নরসিংদীর শিবপুরে গনহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত।

ফটিকছড়িতে রাজনৈতিক শোডাউনে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

 

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি

‎‎চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সরকারি প্রতিষ্ঠান মালিকানাধীন ‎একটি এম্বুলেন্স রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

‎‎৫ আগস্ট মঙ্গলবার চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সরওয়ার আলমগীর ‘জুলাই-আগস্ট বিজয় শোডাউনে’ এটি ব্যবহার করেন।

‎‎প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, অ্যাম্বুলেন্সটি সাইরেন বাজিয়ে পুরো সদর এলাকায় ঘোরে, অথচ তাতে কোনো রোগী ছিল না। বরং সেটি ব্যবহৃত হয় রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হিসেবে শোডাউনে। এতে বিস্মিত স্থানীয় বাসিন্দারা একে ‘সরকারি সম্পদের নগ্ন অপব্যবহার’ বলে মন্তব্য করেছেন।
ফটিকছড়ি ‎‎পৌর এলাকার বাসিন্দা আলী আকবর বলেন, ‘এই অ্যাম্বুলেন্স তো রোগীদের জন্য বরাদ্দ! অথচ এখন তা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের শোডাউনে ব্যবহার হচ্ছে, এটা জনগণের সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা।’

‎‎পৌর কার্যালয়ের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনিচ্ছুক জানান, ‘সরকারি অ্যাম্বুলেন্স শুধুমাত্র রোগী পরিবহনের জন্য অনুমোদিত। অন্য কোনো কাজে ভাড়া দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি দাবী করেন, করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্সটি পৌরসভাকে দান করেছিলেন। এটি রেজুলেশনে স্পষ্ট উল্লেখ ছিলো কোন ভাবেই এটি ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না।’

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্ণেল আজিমুল্লাহ বাহার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে দলের শোডাউনে সরকারি সম্পত্তির ব্যবহার করা কোনভাবেই উচিত হয়নি। সেটির সাথে রাজনৈতিক যে নেতা জড়িত তিনি অদূরদর্শী ও অপরিপক্ক। দলকে ডুবাতে এটি একটি ইস্যু হতে পারে। বিএনপির বিরুদ্ধে আজও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি খারাপ বার্তা। একটি নতুন ও গণতান্ত্রিক দেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এসব গর্হিত কাজ বড় বাধাঁ।

‎‎চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সরওয়ার আলমগীর বলেন, ‘বিজয় শোডাউনে সমূহ সম্ভাবনায় রোগীদের স্বার্থে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়েছিলাম। সেটা সরকারি না বেসরকারি জানতাম না। এটি ব্যবহারও হয়েছে রোগী তথা দলের আহত কর্মীর কাজে।’

‎‎ফটিকছড়ি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমার অজানা। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট