1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাগেরহাটে চিতলমারীতে মোটরসাইকেল বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত কালুখালীতে ভ্রাম‍্যমান আদালতের অভিযান, দুই বাসে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা। কোটালীপাড়ায় ফুট চাষীদের মাথায় হাত গোপালগঞ্জে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক কে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান। গোয়াইনঘাটে বালুর আড়ালে ভারতীয় ৭৬ বস্তা জিরা,ট্রাক জব্দ ও চালক আটক! ফটিকছড়িতে গণশুনানি ছাড়া হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন  লাখাইয়ে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৪ কর্মী গ্রেফতার। হবিগঞ্জে বিজিবি অভিযানে ২৪টি ভারতীয় চোরাই গরু উদ্ধার। মাধবপুরে বাস ও পিকআপ ভ্যান সংঘর্ষে মহিলাসহ ৪ জন নিহত। মাধবপুর মহাসড়কে চাঁদাবাজি দায়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে চাঁদাবাজ আটক।

মাধবপুরে নিরাপত্তাহীনতায় আজগর আলীর পরিবার।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

 

অনিক পাঠান
ক্রাইম রিপোর্টার ,হবিগঞ্জ ।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের পুরাইকলা মৌজায় ভূমির রেকর্ড জালিয়াতি এবং জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেছেন একই গ্রামের ভুক্তভোগী মোঃ আজগর আলী।

ভুক্তভোগী আজগর আলী জানান, তিনি পুরাইকলা মৌজা, জে.এল–২, দাগ নং ৪৮৫-এর মোট ৩৩ শতক ভূমি ২০০২ সালে স্থানীয় শান্ত মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করেন। এর আগে জমিটি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে শান্ত মিয়ার ভোগদখলে ছিল। কেনার পর আজগর আলী টানা ২৩ বছর ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। গ্রামের মুরব্বিরা এ বিষয়ে অবগত আছেন।

তিনি আরও জানান—তিনি ও তার পরিবার ঢাকায় বসবাস করতেন। সেই সময় বিগত মাঠ জরিপে প্রতারণার মাধ্যমে উক্ত জমিটি স্থানীয় মোঃ ইউসুফ খানের নামে রেকর্ড করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়—জমির রেকর্ড ইতোমধ্যে ইউসুফ খানের নামে চলে গেছে।

ঘটনার পর আজগর আলী গ্রামবাসীকে বিষয়টি জানান এবং এস.এ. রেকর্ড মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা জানান—তারা কখনো ইউসুফ খানের কাছে জমি বিক্রি করেননি, কোনো অ্যাগ্রিমেন্ট বা দলিলও করেননি। বরং তারা নিশ্চিত করেন, “জমিটি যেহেতু বৈধভাবে আমাদের দখলে ও মালিকানায় ছিল, তাই প্রতারণার মাধ্যমে ইউছুফ খাঁ রেকর্ড তৈরি করেছে।”

এ ঘটনায় এস.এ. মালিক ২০২১ সালে বাদী হয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

মামলা চলমান অবস্থায় ইউসুফ খান, তার ছেলে জসিম উদ্দিন খান এবং ভাই জাহাঙ্গীর আলম (আয়াত আলী) নিয়মিতভাবে ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী আজগর আলী বলেন, “যেহেতু তারা রেকর্ড করে ফেলেছে—জমি তারা দখল করবেই। রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবহার করে আমাকে এবং আমার পরিবারকে ভয় দেখিয়ে জমি ছাড়তে চাপ দিচ্ছে।”

তিনি এলাকায় প্রভাব শালী ব্যক্তিদের নাম বিক্রি করে আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন এবং একাধিক জমি এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে নিজেদের নামে রেকর্ড করিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা যায়—তারা অল্প মূল্যে বা সস্তা জমি বিনিময়ের প্রলোভন দেখিয়ে দখলে নিয়ে যায়।

হুমকি-ধামকির কারণে বাধ্য হয়ে আজগর আলী স্থানীয় সালিশ ডাকেন এবং গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে ঘটনাটি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেন। পরে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আজগর আলী বলেন,
“আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের জমি জবরদখলের চেষ্টা চলছে। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে পরিবার নিয়ে আতঙ্কে আছি। মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমার পরিবার ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট