1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঘোড়াঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৬৭১লিটার তেল জব্দ। কোটালীপাড়য় ডেঙ্গুসহ মশা জনিত রোগ প্রতিরোধে স্বেচ্ছাশ্রম কার্যক্রমের উদ্বোধন। নরসিংদীর শিবপুরে তেল মজুদ রাখায় জরিমানা ৮ হাজার টাকা। লালমাই উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে চাঁদা না দেওয়ায় দোকান লুটপাট, চাঁদাবাজকে গণপিটুনি, আটক ১ কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে পুলিশের অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।  কোটালীপাড়া উপজেলায় হাসপাতালে ঢুকে কোপানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার ০৬ আজমিরীগঞ্জে নিউ মেডিল্যাব হাসপাতালে ভূয়া রিপোর্টের অভিযোগ, তদন্তের দাবি সুন্দরবনে ছোট সুমন বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস ও মালামাল জব্দ পাশের বাড়ি থেকে তিন বছর বয়সী শিশুর গালকাটা লাশ উদ্ধার

সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে দদুকের অভিযান, নির্দোষ প্রমানিত,সাব-রেজিষ্ট্রার।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত ফি আদায় সহ বিভিন্ন অনিয়োমের বিরুদ্ধে টানা ছয় ঘন্টা ব‍্যাপি অভিযান পরিচালনা করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ মেলেনি পাংশার সাব-রেজিষ্ট্রার মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন মিয়া’র বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার (০৪ আগষ্ট) দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পযর্ন্ত এই অভিযান পরিচালনা করেন, দুদকের ফরিদপুর জেলার সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
অভিযান শেষে দুদক কর্মকর্তা জানান, এখানে দলিল রেজিষ্ট্রির জন্য নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত ফি আদায়ের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এছাড়াও একজন নকল নবিশের বিরুদ্ধে দলিলের পে-অডার জালিয়াতি’র অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে। তবে সাব-রেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অনিয়মের প্রমান মেলেনি।
দুদক কর্মকর্তা জানান, দলিল লেখক আব্দুর রহমান কালুর বিরুদ্ধে দলিলের নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত ফি আদায়ের সততা পাওয়া গেছে।
পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার মোহাম্মদ মোমেন মিয়া জানান, সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে অফিসে কোনো প্রকার নগদ লেনদেন হয় না। নরমালি ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে ৭.৫০℅ এবং পৌরসভার ক্ষেত্রে ৯.৫০℅ টাকা, পে-অডারের মাধ্যমে ব‍্যাংকে জমার ডকুমেন্ট দেখেই দলিল রেজিষ্ট্রি করা হয়। এর বাইরে যদি কেউ কোনো টাকা নিয়ে থাকেন, তাহলে সেটা আপনারা তদন্তের মাধ্যমে বের করে তাদের বিরুদ্ধে ব‍্যাবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রবীণ দলিল লেখক জানান, সেই ব্রিটিশ আমলে একজন দলিল লেখকের মুশাবিদা ফি ৫৬ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। দেশের সবকিছু’র পরিবর্তন হলেও দলিল লেখকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। ব্রিটিশের ৫৬ টাকা এখন কত টাকা হবে আপনারাই বলুন? তাছাড়া সেই সময়ে এক কেজি চাউলের দাম ছিলো ৫ টাকা আর এখন সেটার দাম ১২০ টাকা।
অপর একজন দলিল লেখক জানান, সারাদেশের দলিল লেখকরা বছরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে সরকারের কোষাগারে জমা দিয়ে থাকেন। বিনিময়ে তাদের কোনো বেতন ভাতা দেওয়া হয় না, বরং প্রতি বছর টাকা দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।
অপর একজন দলিল লেখক জানায় একজন দলিল লেখক মাসে ৫ /৭ টা দলিল পেয়ে থাকেন। এতে ক্রেতা যা দেন তা দিয়ে আমাদের চলা মুশকিল। আমরা এভাবে চলতে চাই না। আমাদের একটা নির্দিষ্ট সম্মানি ভাতা নির্ধারণ করা হোক।
এ/এস (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) 01711050937

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট