1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বজ্রপাতে বাবার মৃত্যু ছিটকে গিয়ে প্রাণে বাঁচলো শিশু। গোয়াইনঘাট কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন জনবল সংকট কাটিয়ে গ্রাহক সেবায় এগিয়ে গোপালগঞ্জ প্রধান ডাকঘর। সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠন: সভাপতি জাফর, সাধারণ সম্পাদক ইমন। জন্ম মৃত্যু নিবন্ধনে ঢাকা বিভাগের শীর্ষে রাজবাড়ীর তিন ইউএনও। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিবের নিজস্ব কার্যালয় উদ্বোধন। ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ঘরে ঢুকে গরু- বাছুর নিয়ে যায় সুদি মহাজন কালীগঞ্জে জমকালো আয়োজনে ‘শহীদ সোহান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধন। লালমাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট- এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে সাহিত্যচর্চায় নতুন গতি: ‘সাহিত্য সংসদ’-এর নবগঠিত কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

কোরআনের হাফেজ  ১৪ মাসে ছতরপুর মাদরাসার ছাত্র। 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

সংবাদদাত: দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন বিজয়নগর উপজেলাস্থ ছতরপুর জামিয়া রশিদীয়ার ছাত্র মুজাহিদ মাত্র ৯ বছরে হাফেজে কুরআন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এলাকাবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

তার এ কৃতিত্বে অভিভাবকসহ শিক্ষক ও সহপাঠীরা আনন্দিত। তার উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

মুজাহিদ বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মহেষপুর পাক্কাবাড়ীর  ইসমাঈল ভুইয়ার ছেলে ।

তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই কোরআন হিফজের বিষয়ে মুজাহিদের প্রবল ইচ্ছা ও আকর্ষণ ছিল। মাদরাসায় ভর্তির জন্য মুজাহিদ নিজেই বায়না ধরলে তাকে ২০২২ সালে  জামিয়া রশিদিয়া ছতরপুর মাদ্রাসার  (নুরানি ) বিভাগে ভর্তি করানো হয়। শুরুতে তাকে বাংলার পাশাপাশি পবিত্র কোরআনের  রিডিং পড়ানো হয় । এর পরে হিফজের উপযুক্ত হলে আল্লাহর রহমতে ১৪ মাসের মধ্যেই কোরআনের হাফেজ হয়ে ওঠে।

তার শিক্ষক হুসাইন আহমাদ বলেন, মুজাহিদের বাবা পেশায় একজন রাজ মিস্ত্রি। দিন এনে দিন খাওয়া পরিবার। তার লেখা পড়ার যাবতীয় খরচ আমাদের পক্ষ থেকে বহন করা হয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছেলে। সঠিক পরিচর্যা হলে সে জগত বিখ্যাত একজন আলেম হতে পারবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমাদের মাদ্রাসায় মুজাহিদ সহ আরো অনেক এতিম ও গরীব অসহায় মেধাবীদের যাবতীয় খরচ আমরা বহন করে থাকি।

হাফেজ মুজাহিদ বলেন, আমি চেষ্টা করেছি, আল্লাহ সহায় ছিলেন বলেই মহাগ্রন্থ কোরআন আয়ত্ত করতে পেরেছি। ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার জন্য আলেম হওয়ার স্বপ্ন তার।

অত্র মাদরাসার প্রিন্সিপাল মুফতি রহমতুল্লাহ কাসেমীর কাছে জানতে চাইলে বলেন, ছেলেটি অত্যন্ত নম্র-ভদ্র। পড়ালেখার সমস্ত খরচ তার বিভাগীয় প্রধান শিক্ষক হুসাইন আহমাদ এর বড় ভাই বহন করেছেন। আল্লাহ পাক ওনার এই সহযোগিতা কে কবুল করুন এবং তাকেও দ্বীনের দায়ী হিসেবে যেন আমরা গড়ে তুলতে পারি সকলের নিকট দোয়া চাই ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট