1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ঘরে ঢুকে গরু- বাছুর নিয়ে যায় সুদি মহাজন কালীগঞ্জে জমকালো আয়োজনে ‘শহীদ সোহান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধন। লালমাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট- এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে সাহিত্যচর্চায় নতুন গতি: ‘সাহিত্য সংসদ’-এর নবগঠিত কমিটির অভিষেক সম্পন্ন ঘোড়াঘাটে ধান কর্তন ও সজিনা চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। ঘোড়াঘাটে কৃষি অফিসের উদ্যোগে সজনা চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। নরসিংদীর শিবপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বক্তব্য শুনে শিক্ষার্থীরা শান্ত হলেন। বেনাপোলে ধানক্ষেতে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাট সাধনা পেট্রোল পাম্পে ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল বিক্রির দায়ে  ২০হাজার টাকা জরিমানা। গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে জনবল সংকট,স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত

ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ঘরে ঢুকে গরু- বাছুর নিয়ে যায় সুদি মহাজন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

 

পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায় পিঞ্জুরী ইউনিয়নের আট্টরা বাড়ী গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী আট বছর আগে মেয়ে কে বিদেশে পাঠানোর সময় প্রতিবেশী সুদখোর আবুল গাজীর কাছ থেকে আলতাফ হোসেন গাজী ৩৫ হাজার টাকা সুদে নেয়। ৩৫ হাজার টাকায় সুদ হিসেবে প্রতি বছর ওই কৃষকের ১৭ মন ধান দেওয়ার কথা। দরিদ্র্য কৃষক আলতাফ হোসেন প্রথম বছর ১৬ মন ধান সুদ হিসেব পরিশোধ করেন। এরপর আলতাব হোসেনের সেজ মেয়ে ছায়মার দেখা দেয় দুরারোগ্য রোগ। যার কারনে ধান দিতে না পারায় প্রতি বছর সুদের টাকা যোগ হয় আসল টাকায়।

কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী বলেন, আট বছরেএ পর্যন্ত তিনি ১৬ মন ধান দেওয়ার পর প্রথম কিস্তিতে ৮৫ হাজার, দ্বিতীয় কিস্তিতে ৫৫ হাজার, তৃতীয় কিস্তিতে ১ লক্ষ টাকা ও চতুর্থ কিস্তিতে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন।

৩৫ হাজার টাকায় আট বছরে প্রায় তিন লাখ ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করার পরও সুদি মহাজন আবুল গাজীর দাবি এখনও সাড়ে তিন লাখ টাকা।

দাবি করা টাকা না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার ( ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ) রাতে আবুল হোসেন কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে একটি দুধের বাছুর ও দুটি বড় গরু নিয়ে গেছে।

দরিদ্র্য কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী বলেন, গরু দুটি আমি পাশের গ্রাম থেকে বরগা এনে লালন পালন করি।
সুদি মহাজন আবুল হোসেন গাজীর বাড়ীতে গরু তিনটি দেখা গেছে। আবুল হোসেন গাজীর স্ত্রী সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমারা তাকে চার লাখ টাকা দিয়েছি। কিন্তু সে টাকা পরিশোধ না করায় আমরা গরু নিয়ে এসেছি। তবে আবুল হোসেন কে বাড়ীতে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট