1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
গোয়াইনঘাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে ওয়াশ সচেতনতা কর্মসূচি ও ছাতা বিতরণ। ঘোড়াঘাটে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা: স্থানীয়দের হাতে আটক ৩। গোপালগঞ্জে দুই বাস ও ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬০ ঘোড়াঘাটে আমের মৌ মৌ গন্ধ: জমজমাট বেচাকেনায় বিক্রেতার মুখে হাসি। নবীগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৫৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। কোটালীপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য।  নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা। মোহনগঞ্জে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত। বাহুবলে দুই গ্রামেবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত১,অর্ধশতাধিক আহত। গোয়াইনঘাটে সাবেক ইউপি সদস্যের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল, এলাকায় চাঞ্চল্য তদন্তে পুলিশ!

খুলনায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়! 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

 

খুলনায় বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান মনির বিরুদ্ধে তার সৎ ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধর ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ইতিমধ্যে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলা দায়ের করেছেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রণয় কুমার দাস মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) নির্দেশ দিয়েছেন। হাফিজুর রহমান খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিত।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী রুবেল খান জানান, আগামী ২০ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তার সৎ ভাশুর হাফিজুর রহমান তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে তাকে মারধর করেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এলে হাফিজুর রহমান দ্রুত চলে যান। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি সোনাডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন।

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান এ বিষয়ে তার বক্তব্যে বলেন, পারিবারিক বৈঠকে ভুক্তভোগীর অবাধ্যতা এবং খারাপ ব্যবহারের কারণে তিনি তাকে দুটি চড় দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি পরিবারের অন্য সদস্যদের সামনেই ঘটেছে। আদালতে উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা এবং তার জন্য লজ্জাকর বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ ঘটনায় পিবিআইয়ের তদন্ত চলছে এবং আগামী ২০ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এটি পারিবারিক কলহ নাকি গুরুতর অপরাধ? তদন্তের ফলাফলই এর উত্তর দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট