1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
লালমাইয়ে ভুলইন উত্তর ইউনিয়নের দুর্গাপুর চন্দ্রপুর বাসির আয়োজনে বিশাল হাডুডু খেলা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে দলীয় কোন্দলে চাপের মুখে বিএনপি’র প্রার্থী ডাঃ কে এম বাবর। আইনি জটিলতায় ২৩ বছর ধরে বন্ধ ছনবাড়ি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, বঞ্চিত ১২ গ্রামের মানুষ! মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফে তাযকেরা-এ-চেরাগে উম্মতে আহমদী (দ.) মাহফিল অনুষ্ঠিত। নবীগঞ্জে এলপিজি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির দায়ে ডিস্ট্রিবিউটরকে জরিমানা প্রদান। দিনাজপুর ৬ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ডঃ জাহিদ হোসেন। গোপালগঞ্জ -০৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন এস এম জিলানী রাজবাড়ীতে পাম্প কর্মচারীকে গাড়ি চাপা দিয়ে মারলেন চালক। মোহনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রুবেল সম্পাদক রাসেল সাংগঠনিক রাসেদুল নির্বাচিত পশ্চিম সুন্দরপুরে আল-আমিন যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

খুলনায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়! 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

 

খুলনায় বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান মনির বিরুদ্ধে তার সৎ ভাইয়ের স্ত্রীকে মারধর ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ইতিমধ্যে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলা দায়ের করেছেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রণয় কুমার দাস মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) নির্দেশ দিয়েছেন। হাফিজুর রহমান খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিত।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী রুবেল খান জানান, আগামী ২০ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তার সৎ ভাশুর হাফিজুর রহমান তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে তাকে মারধর করেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এলে হাফিজুর রহমান দ্রুত চলে যান। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি সোনাডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন।

অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান এ বিষয়ে তার বক্তব্যে বলেন, পারিবারিক বৈঠকে ভুক্তভোগীর অবাধ্যতা এবং খারাপ ব্যবহারের কারণে তিনি তাকে দুটি চড় দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি পরিবারের অন্য সদস্যদের সামনেই ঘটেছে। আদালতে উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা এবং তার জন্য লজ্জাকর বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ ঘটনায় পিবিআইয়ের তদন্ত চলছে এবং আগামী ২০ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এটি পারিবারিক কলহ নাকি গুরুতর অপরাধ? তদন্তের ফলাফলই এর উত্তর দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট