1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জ সড়কের পোদ্দারবাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, বাবা-ছেলের মৃত্যু। ফটিকছড়িতে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগকালে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে। গোয়াইনঘাটে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু। ঘোড়াঘাটে শহীদ মিনার ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে আবর্জনার স্তূপ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গোপালগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট নির্বাচনে আজিজুর সভাপতি, জাবেরুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত। গোপালগঞ্জে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমস্যা ও করণীয় শীর্ষক সেমিনার রাজবাড়ীতে বন্ধুর বিয়ের দাওয়াত না পেয়ে, রাস্তায় নেমে বন্ধুদের বিক্ষোভ মিছিল। ঘোড়াঘাট করতোয়া নদীতে হাঁস আনতে গিয়ে ডুবে সাকোয়াত নামের এক বৃদ্ধের করুণ মৃত্যু। গোয়াইনঘাটে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির মৃত্যু, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ধারণা!

আদালতের রায়ে ২৮ বছর পরে জমি দখলমুক্ত!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

আরিফুল ইসলাম মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি

আদালতের রায়ে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরশহরের ওয়ারিশের ১ একর ৭৪ শতক জমি উদ্ধার করা হয়েছে। ওই জমিতে থাকা একটি পাকা ঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকৃত জমির বর্তমান বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকার বেশি বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় দাদীর ওয়ারিশের ১ একর ৭৪ শতক জমির দাবিতে ২৮ বছর আগে আদালতে মামলা করেন স্থানীয় আব্দুল ছাত্তার ও তার ভাই মরম আলী।

মামলা চলাকালে গত ৭-৮ বছর আগে মারা যান মরম আলী। প্রায় ৬ বছর আগে মারা যান আব্দুল ছাত্তার। তবে তাদের সন্তানরা মামলা চালিয়ে যান। গত কয়েক বছরে ওই সম্পত্তির পক্ষে তারা দফা ডিক্রি পান। সম্প্রতি আদালতের চূড়ান্ত রায় পান আব্দুল ছাত্তার ও মরম আলীর সন্তানেরা। বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে জায়গা মাপার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন আদালত। পরে আজ সোমবার আইন কমিশনারের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্টরা ওই জায়গার দখল বুঝিয়ে দিতে আসেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মামলা চলাকালে বিবাদী পক্ষ কিছু জমি কৌশলে খালি করে অন্য ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। ওই জায়গায় স্থাপনা তৈরি করা হয়েছিল, সেগুলো আজ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

বাদী, মৃত মরম আলীর ছেলে শহীদ মিয়া বলেন, ‘আমার বাবার দাদীর ওয়ারিশের সম্পত্তি ওই পক্ষের লোকজন দিচ্ছিল না। আমার বাবা-চাচা মিলে ওই জমির দাবিতে মামলা করেন। মামলা চলাকালে আমার বাবা-চাচা মারা যান। আদালত সম্প্রতি জায়গা মাপার মাধ্যমে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার রায় দিয়েছেন। তাই আজকে এই কার্যক্রম চলছে।

অপর বাদী, মৃত আব্দুল ছাত্তারের ছেলে মো. রবি মিয়া বলেন, ‘স্থানীয় কেদু বেপারী ও গেদু বেপারীর কাছে আমার বাবার দাদীর ওয়ারিশ পাওনা ছিল। তারা ওয়ারিশ না দেওয়ায় বাবা-চাচা মিলে ওই মামলা করেন। যদিও মামলা চলাকালে বাদী-বিবাদী সকলেই মারা গেছেন, উভয় পক্ষের সন্তানেরা মামলা চালিয়ে গেছে দীর্ঘদিন। অবশেষে আমরা রায় পেলাম, তাই আজ জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জেলা আইন কমিশনার সংশ্লিষ্ট লোকজন নিয়ে জায়গাটি মাপতে এবং বুঝিয়ে দিতে এসেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট