1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জ সড়কের পোদ্দারবাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, বাবা-ছেলের মৃত্যু। ফটিকছড়িতে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগকালে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে। গোয়াইনঘাটে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু। ঘোড়াঘাটে শহীদ মিনার ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে আবর্জনার স্তূপ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গোপালগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট নির্বাচনে আজিজুর সভাপতি, জাবেরুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত। গোপালগঞ্জে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমস্যা ও করণীয় শীর্ষক সেমিনার রাজবাড়ীতে বন্ধুর বিয়ের দাওয়াত না পেয়ে, রাস্তায় নেমে বন্ধুদের বিক্ষোভ মিছিল। ঘোড়াঘাট করতোয়া নদীতে হাঁস আনতে গিয়ে ডুবে সাকোয়াত নামের এক বৃদ্ধের করুণ মৃত্যু। গোয়াইনঘাটে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির মৃত্যু, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ধারণা!

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

মীর দুলাল।। চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত র‌্যাব কর্মকর্তা হলেন- ডিএডি মো. মোতালেব। তিনি বিজিবি সদস্য। র‌্যাব-৭-এ কর্মরত ছিলেন তিনি।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, র‌্যাব সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযানে যান। এসময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে কয়েকজন র‌্যাব সদস্য আহত হন। তাদের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান চলছে।

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় গত চার দশক ধরে পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি। এই দখলদারিত্ব ও প্লট বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে সেখানে গড়ে উঠেছে একটি দুর্ধর্ষ সশস্ত্র বাহিনী।

জানা গেছে, জঙ্গল সলিমপুরে বসবাসকারীদের জন্য রয়েছে বিশেষ পরিচয়পত্র ব্যবস্থা। বহিরাগতদের প্রবেশ তো দূরের কথা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সেখানে সহজে প্রবেশ করতে পারেন না। একাধিকবার অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীকে সংঘবদ্ধ ও সশস্ত্র হামলার মুখে পড়তে হয়েছে।

এই অপরাধ সাম্রাজ্যের নেপথ্যে রয়েছে দুটি শক্তিশালী সংগঠন। এর একটি হলো ‘আলীনগর বহুমুখী সমিতি’, যার নেতৃত্বে রয়েছেন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ইয়াসিন মিয়া। অপরটি ‘মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সংগ্রাম পরিষদ’, যা নিয়ন্ত্রণ করছেন কাজী মশিউর ও গাজী সাদেক।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, বর্তমানে এই দুই সংগঠনের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। দখল করা পাহাড়ি জমিতে বসতি স্থাপন, প্লট বাণিজ্য এবং অবৈধ স্থাপনা রক্ষায় সংগঠিতভাবে তারা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুই পক্ষের প্রভাব এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রতিরোধ ও সহিংসতার কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট