1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
হবিগঞ্জ সড়কের পোদ্দারবাড়িতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, বাবা-ছেলের মৃত্যু। ফটিকছড়িতে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগকালে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে। গোয়াইনঘাটে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু। ঘোড়াঘাটে শহীদ মিনার ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে আবর্জনার স্তূপ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গোপালগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট নির্বাচনে আজিজুর সভাপতি, জাবেরুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত। গোপালগঞ্জে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমস্যা ও করণীয় শীর্ষক সেমিনার রাজবাড়ীতে বন্ধুর বিয়ের দাওয়াত না পেয়ে, রাস্তায় নেমে বন্ধুদের বিক্ষোভ মিছিল। ঘোড়াঘাট করতোয়া নদীতে হাঁস আনতে গিয়ে ডুবে সাকোয়াত নামের এক বৃদ্ধের করুণ মৃত্যু। গোয়াইনঘাটে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির মৃত্যু, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ধারণা!

ঈদে নেই চেনা সেই আমেজ: দুশ্চিন্তায় আজমিরীগঞ্জের ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে


রাহী রহমান আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিশেষ প্রতিনিধিঃ

​পবিত্র ঈদুল ফিতর দরজায় কড়া নাড়ছে। হাতে বাকি মাত্র দুই সপ্তাহ। সাধারণত এই সময়ে ‘ভাটির রাজধানী’ খ্যাত আজমিরীগঞ্জ বাজারের অলিগলি ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত থাকার কথা। কিন্তু এবারের চিত্রটা যেন একটু ভিন্ন। আজ ১৮ রমজান অতিবাহিত হলেও বাজারের চিরচেনা সেই উপচে পড়া ভিড় এখনো চোখে পড়ছে না, যা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ।

​বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিঃ
​আজমিরীগঞ্জ সদর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পোশাকের দোকান, জুতা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলো সাজানো হয়েছে নতুন সাজে। ব্যবসায়ীরা আশা করেছিলেন রমজানের অর্ধেক পার হতেই বিক্রি জমে উঠবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।

​ক্রেতাশূন্যতা: দিনের বেলা বাজারে লোক সমাগম থাকলেও প্রকৃত ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। অধিকাংশ মানুষই আসছেন দরদাম দেখতে, কিন্তু কেনাকাটা করছেন না।

​ব্যবসায়িক মন্দা: বড় বড় কাপড় ও জুতার দোকানগুলোতে বিক্রেতারা অলস সময় পার করছেন। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার বিক্রির হার তুলনামূলকভাবে কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

​ব্যবসায়ীদের কন্ঠে দুশ্চিন্তার সুর
​বাজারের একজন প্রবীণ বস্ত্র ব্যবসায়ী বলেন:
​”প্রতি বছর ১৮ রমজানের পর আমাদের দম ফেলার সময় থাকে না। কিন্তু এবার দোকানের কর্মচারীরা বসেই দিন পার করছে। ঈদে বড় অংকের বিনিয়োগ করেছি, কিন্তু কাস্টমার না আসলে এই লোকসান সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।”
​কসমেটিকস ও জুতা বিক্রেতারাও একই সুরে কথা বলছেন। তাদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে সাধারণ মানুষ হয়তো বিলাসিতা বা নতুন পোশাক কেনার ক্ষেত্রে সংযমী হচ্ছে।
​কেন এই মন্দা?

​স্থানীয়দের সাথে কথা বলে কিছু সম্ভাব্য কারণ উঠে এসেছে:

​আর্থিক সংকট: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে মানুষের হাতে অতিরিক্ত খরচ করার মতো অর্থ কম।

​হাওরের অর্থনীতি: ভাটি অঞ্চলের মানুষের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। বোরো ধান কাটার মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু না হওয়ায় অনেকের হাতে নগদ টাকা নেই।

​অনলাইন কেনাকাটা:তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ এখন শহরের মার্কেট বা অনলাইনের দিকে ঝুঁকছে, যার প্রভাব পড়ছে স্থানীয় বাজারে।

​শেষ মুহূর্তের আশা
​তবে ব্যবসায়ীরা একেবারেই আশাহত নন। তাদের আশা, ২০ রমজানের পর যখন ঈদের বোনাস পাওয়া যাবে এবং প্রবাসীরা বাড়ি ফিরবেন, তখন হয়তো বাজারের চিত্র পাল্টে যাবে। শেষ ১০ দিনের ধামাক্কা বিক্রির আশায় তারা প্রহর গুনছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট