
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ তৃতীয় দিনের মতো টানা ভারী বৃষ্টির ফলে ঈদগাঁও বাজার এলাকা পানিবন্দি হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ চরম উঠেছে বাজারবাসীর।ড্রেনে ময়লা আবজনায় ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় টানা তিন দিনের বৃষ্টি পাতে বাজারের ডিসি রোড সড়ক, হাসপাতাল সড়ক,চাউল বাজারসড়ক,বাশঁঘাটা রোড় সড়ক, সুপারীগলি রোড়,আরও জনগুরুত্বপূর্ণ গলি প্লাবিত হয়েছে। অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক নিচু হওয়ার কারণে বর্ষামৌসুমে নিদারুন কষ্ট পাচ্ছেন ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ।
(৭ এপ্রিল) দুপুরে ঈদগাঁও বাজারে বৃষ্টিতে প্লাবিত চাউল বাজার ও হাসপাতাল সড়ক পরিদর্শন করেছেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মংচিংনু মারমা, এবংজালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি।
আজ বিকেলে বেলা দেখা যায়, উপজেলার সুপরিচিত ব্যস্তবহুল ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন উপসড়ক টানা ভারী বর্ষনে বৃষ্টির পানি ড্রেন দিয়ে সুষ্ঠুভাবে চলাচল করতে না পারায় সড়ক পানিবন্দি হয়ে, দোকানেই পানি প্রবেশ করেছে। পানি পেরিয়ে নানা কাজেকর্মে বাজারে আসা ব্যবসায়ী ও পথচারী নারী-পুরুষরা যাতায়াতে কষ্ট পাচ্ছে। দীর্ঘসময় ধরে দেখার কেউ নেই।
জালালাবাদ স্বাস্থ্য কেন্দ্র আগত পাড়া মহল্লার বিভিন্ন রোগীরা এসে থাকেন। তারাও সড়কে হাটু পানি পেরিয়ে হাসপাতালে সেবা নিতে যেতে দেখা যায়। এছাড়াও বাজারে আগত ক্রেতা-বিক্রেতারাও সড়ক টি দিয়ে প্রতিনিয়ত কাজেকর্মে আসা যাওয়া করে থাকেন। হাসপাতাল গামী রোগীসহ স্বজনদের জনদুর্ভোগ চোখে পড়ার মত। সড়কের দুই পাশের স্থায়ী ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বানিজ্যে নিয়ে মহাবিপাকে পড়েন।
আরো জানা যায়, টানা ৩ দিনের ভারী বর্ষণে বৃহত্তর ঈদগাঁওর নিমাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। মাইজ পাড়া,হিন্দুপাড়া,জাগির পাড়া, ভোমরিয়াঘোনা,কালিরছড়া সহ বিভিন্ন স্থানে পানিতে ভরপুর।
স্থানীয়রা জানান, অব্যাহত বৃষ্টিপাতে বাজারের সড়ক সমুহে পানিতে ভরপুর। পানি নিষ্কাশনের জন্য থাকা ড্রেন অপর্যাপ্তসহ বহু জায়গায় ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি চলাচল করতে পারছেনা।ভোগান্তির কবলে পড়ে বাজারে আসা নারী-পুরুষ।
বাজারগামী আগতরা জানান, পানি নিস্কাশনের বিষয়ে ঈদগাঁও বাজারে স্থায়ী কোন সমাধান নেই দীর্ঘদিন ধরে। কিন্ত প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হলেও বাজার কেন্দ্রীক উন্নয়নের দৃশ্য কিন্তু ভিন্ন চিত্র।
ফার্মেসী ও চাউল ব্যবসায়ীরা জানান, ড্রেনের চেয়ে হাসপাতাল সড়কটি নিচু। ফলে বৃষ্টির পানি জমে থাকে প্রায়শ। সময়োপযোগী, টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বাজারের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো দিয়ে চলাচল একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়বে।এবং জনদুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে।
সচেতন মহলের মতামতে, প্রতি বর্ষা মৌসম এলে ঈদগাঁও বাজারবাসীকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এমন কি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান,স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রী, ও সেবামূলক প্রতিষ্টানপানিবন্দি, এবং চলাচল সড়ক, উপসড়কে প্লাবিত হয়ে মরণ দশায় ভোগতে হয়। এ হতে পরিত্রাণের লক্ষে স্থায়ী সমাধানে কার্যকরে কোন প্রকার মহা উদ্যোগ চোখে পড়ছেনাসরকারী বে- সরকারী কোন দপ্তরের বা কর্মকর্তা বৃন্দের।