1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গোয়াইনঘাটে পুলিশের ‘ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল’ ও বিশেষ অভিযান নলডাঙ্গা’র পাটুলে, ট্রাকের চাপায় ভাংড়ী ব্যবসায়ী নিহত।  পানছড়িতে পশু জবাই ও কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান।  আজমিরীগঞ্জে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার। কোরবানি সত্য, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির অনন্ত আধ্যাত্মিক শিক্ষা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের প্রেস ব্রিফিং। পানছড়ি থানায় ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।  সিলেটে র‍্যাব সদস্য ইমন আচার্য্য ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত।

পীরের বাজারে সরকারি জমি দখল করে ভবন নির্মাণ, নৌকার ঘাট হারানোর শঙ্কা!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

 

এ কে আজাদ সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি:।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের পিরের বাজার এলাকায় নদীর পাড়ে নৌকার ঘাটসংলগ্ন সরকারি জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাসির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সেখানে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করছেন।

অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের টেকনাগোল গ্রামের বাসিন্দা। সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর তীরবর্তী জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এলাকায় কংক্রিটের ভবন নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এতে ওই এলাকার নৌকার ঘাট সংকুচিত হয়ে পড়ছে এবং ভবিষ্যতে নৌযান চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্থানটি নদীপথে চলাচলকারী নৌযানের ঘাট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন পণ্য পরিবহন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় বর্ষা মৌসুমে নৌযান ভেড়ানো ও চলাচল আরও বিঘ্নিত হবে বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে নাসির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখানে হাইকোর্টের একটি রিট রয়েছে। আমি এখানে কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয় করেছি। জায়গাটি সরকারি হলেও দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে রয়েছে। প্রশাসন চাইলেও এখানে কিছু করতে পারবে না।

তবে স্থানীয়রা বলেন নিয়ম অনুযায়ী সরকারি জায়গা কোনোভাবেই ব্যক্তিগত দখলে নেওয়ার সুযোগ নেই। আদালতে রিট থাকলেও যথাযথ প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া নদীতীরবর্তী এলাকায় কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ আইনসিদ্ধ নয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগের বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তদন্ত সাপেক্ষে অবৈধ দখল প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, নদী ও নৌপথ রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে ভবিষ্যতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌযান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তারা অবিলম্বে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করে সরকারি জায়গা উদ্ধারের জোর দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট