1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দুর্দিনে গোপালগঞ্জ বাসীকে রক্ষার জন্যই বিএনপি ত্যাগ করিনি এস এম জিলানী ঘোড়াঘাটে বিজিবির অস্থায়ী ক্যাম্প পরিদর্শন করলেল সেক্টর কমান্ডার। আজমিরীগঞ্জে শতাধিক নেতাকর্মীদের নিয়ে আহমেদ আলী মুকিবের ধানের শীষের প্রচারণা।  স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের পক্ষে ভোটের প্রচারণা।   গোয়াইনঘাটে মালয়েশিয়া প্রবাসী জুবের আহমদ’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে সংবর্ধনা বাহুবলে টমটম চালক কাশেম হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার। হবিগঞ্জে,১১ দলীয় জোটের জামায়েতের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমেদ সমর্থনে প্রচারণা অনুষ্ঠিত। মোহনপুরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মায়ের মাথায় আঘাত পাংশায় বারোপল্লী মহাশ্মানে কালীপ্রতিমা ভাঙচুর শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জামায়াতে যোগ দিলেন চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান।

রামপালে নিরীহ এক শিক্ষকের বৈধ জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

 

হারুন শেখ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ||

বাগেরহাটের রামপালের ঝনঝনিয়া সিকির পারহাউজ এলাকায় এক স্কুল শিক্ষকের বৈধ দখলীয় জমি জোর পূর্বক ভাবে দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কতিপয় কিছু ব্যাক্তি। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন নিবেদন করেও কোন প্রাতিকার মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

স্কুল শিক্ষক শেখ নূরনবী জানান,  রামপাল উপজেলার ঝনঝনিয়ার গ্রহীতা জীতেন্দ্র নাথ (১-৮ জন) গংয়েরা সিএস ৪৩ খতিয়ানের জমি নিলাম খরিদ করেন। পরে ওই জমি ১৯৪৭ সালের ১ আগষ্ট ২১৪৬ দলিল মূলে দাতা শেখ আয়েন উদ্দিন গংয়েরা খরিদ করে দখল  বুঝে নেন। কিন্তু ওই জমি সিএস বুনিয়দে দাবী করেন, জয়নাল ফকির গংয়েরা। ভাগার কিসমত ঝনঝনিয়া মৌজার তর্কিত জমি নিয়ে মামলা করেন, জয়নাল ফকির গং। যার মামলা নং ৯৩/৯২। ওই মামলাটি শুনানী শেষে আদালত ২০০৫ সালে খারিজ করে দেন। পরে একই আদালতের পুনঃ বিচার চান। ২০২২ সালে সেটিও খারিজ করেন আদালত। পুনরায় আবারো আবেদন করলে সেটিও বিবাদীর অনুকুলে খারিজ হয়।

গত ৫ আগষ্ট হাসিনা সরকারের পতন হলে ৬ আগষ্ট ভাগার আব্দুল লতিফ, শেখ আবু বকার, শেখ মাহাতাব, শেখ ফজলু গংয়েরা জমি ও জমিতে থাকা মৎস্য ঘেরে চড়াও হন। তারা ঘের দখলে নিতে ঘেরের মধ্যে ছাপড়া ঘর বাঁধে ও তিন দিন ধরে বিপুল পরিমান মাছ লুট করে নেয় বলে অভিযোগ করেন শেখ নূরনবী টুকু। তিনি জানান, এসএ ৬২ এর ৩ নং দাগ ও বিআরএস ১১২ খতিয়ানের ৫ নং দাগে মোট ১.৫৫ একর জমি রেকর্ড হয়। যা গত ৭৭ বছর ধরে তারা ভোগদখলে রয়েছেন। প্রতিপক্ষ বার বার আদালতে মামলা করে বার বার হেরেও জমি দাবী করে হয়রানি করছেন। প্রতিপক্ষ বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন বলে ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল লতিফ, শেখ আবু বকার, মাহাতাব শেখ ও শেখ ফজলুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা ওই জমির প্রকৃত মালিক। ভুল করে তাদের নামে রেকর্ড হয়েছে। তবে জমিতে ঘর তুলে নেট দিয়ে ঘিরলেও মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট