1. live@khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ : খবরের কণ্ঠ
  2. info@www.khaborerkantho.com : খবরের কণ্ঠ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনে দুটি ট্রাক্টর,১০টি মেশিন জব্দ ও জরিমানা প্রদান। মাধবপুরে রাতে দিনে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন, হুমকিতে পরিবেশ। মাধবপুরে ট্রাকে-বালির নিচে থাকা ১৪ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ শায়েস্তাগঞ্জে তারেক রহমানের জনসভাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ সুপার। বাহুবলে রাতের আঁধারে মাটি উত্তোলনে প্রশাসনের অভিযানে ট্রক্টর আটক ও কারাদণ্ড প্রদান। শীতার্তদের মাঝে গোয়াইনঘাট ছাত্র পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ। ছাত্রদলের উদ্যোগে মোহনগঞ্জ পৌর গোরস্থানে আগাছা পরিষ্কার ছাত্রদলের উদ্যোগে মোহনগঞ্জ পৌর গোরস্থানে আগাছা পরিষ্কার গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন। নরসিংদীর শিবপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,মাদক, অর্থসহ গ্রেফতার সাত।

সারা বাংলাদেশের পাথর কোয়ারীগুলো নিয়ে এলো সুসংবাদ!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

 

 

এ কে আজাদ || সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি:
দৈনিক খবরের কন্ঠ পত্রিকা||

 

দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছিলেন এর সাথে সংশ্লিষ্ট পাথর শ্রমিকরা । তাদের মতে স্থানীয় অর্থনীতির মজবুত ভিত্তি হচ্ছে পাথর কোয়ারি। সেই কোয়ারিগুলো থেকে পরিবেশ সম্মতভাবে পাথর উত্তোলনের সুযোগ করে দেওয়া জরুরী। অবশেষে দীর্ঘ সাত বছর পর খুলতে যাচ্ছে কোয়ারিগুলো। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরিনা আফরিন মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বের আদেশটি বাতিল করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত পত্রসমূহের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, সারা দেশে গেজেটভুক্ত কোয়ারিসমূহের ইজারা কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে এ বিভাগের ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখের ২৮.০০.০০০০.০২৮.৩১. ০০৪.১৮.১২ (অংশ-১)-১৯ নম্বর স্মারকে, “সারা দেশের গেজেটভুক্ত পাথর কোয়ারি, সিলিকাবালু কোয়ারি, নূরীপাথর, সাদা মাটি উত্তোলনসহ অন্যান্য সকল কোয়ারির ইজারা আপাতত: বন্ধ থাকবে” মর্মে গৃহীত সিদ্ধান্তটি, এতদ্বারা নির্দেশক্রমে বাতিল করা হলো। এতে করে সিলেটসহ সারাদেশ বন্ধ থাকা সকল পাথর ও বালু মহাল থেকে পাথর, বালু, সাদামাটি উত্তোলনে আর বাধা রইল না।

জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে পাথর উত্তোলন। দীর্ঘদিন অচলাবস্থা থাকায় কোয়ারি নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। ব্যবসায়ীরা হয়ে গেছেন দেউলিয়া। শ্রমিকরা হয়ে পড়েছেন কর্মহীন।

ব্যবসায়ীরা বারবারেই দাবি জানাচ্ছিলেন, কয়েক বছর কোয়ারি বন্ধ থাকা ও পাথর উত্তোলন না করায় নদীর প্রবেশমুখে স্তুপাকারে আটকে আছে পাথর। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে। অন্যদিকে, দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পাথর লুটপাট অব্যাহত রয়েছে। এতে সরকারও বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া কোয়ারি বন্ধ থাকায় বেকার হয়েছেন প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক। মানবেতর জীবনযাপন করছেন কোয়ারির সাথে জড়িত পাথর ও পরিবহন ব্যবসায়ী, বেলচা, বারকি, পরিবহন ও লোড-আনলোড শ্রমিকরা। এই ইস্যুতে স্থানীয়ভাবে আন্দোলন, প্রশাসনের দ্বারস্থ হন তারা। অবশেষে দীঘ ৭ বছর পরে খুলছে কোয়ারিগুলো। শীঘ্রই বন্ধ থাকা গেজেটভুক্ত পাথর কোয়ারী সমূহের ইজারা কার্যক্রম শুরু হবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট