শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা। চুনারুঘাটে অবৈধভাবে সিলিকা বালু পরিবহনের অপরাধে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা। আজমিরীগঞ্জে-কুশিয়ারা নদীতে নিখোঁজের ২দিন পর মরিয়মের লাশ উদ্ধার। নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ০৩ জনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান। পুজামন্ডপ পরির্দশন করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৯ অধিনায়ক তাজমিনুর রহমান চৌধুরী। পুজামন্ডপ পরির্দশন করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৯ অধিনায়ক তাজমিনুর রহমান চৌধুরী। মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক আহত, চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহে গোপালগঞ্জে কঠোর নিরাপত্তায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ১২টি গ্রামে নলকূপ স্থাপন মাঠে মাঠে সুপেয় পানি নিশ্চিতের উদ্যোগ,  উমেদনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে,আহত ৩০
Title :
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা। চুনারুঘাটে অবৈধভাবে সিলিকা বালু পরিবহনের অপরাধে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা। আজমিরীগঞ্জে-কুশিয়ারা নদীতে নিখোঁজের ২দিন পর মরিয়মের লাশ উদ্ধার। নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ০৩ জনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান। পুজামন্ডপ পরির্দশন করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৯ অধিনায়ক তাজমিনুর রহমান চৌধুরী। পুজামন্ডপ পরির্দশন করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৯ অধিনায়ক তাজমিনুর রহমান চৌধুরী। মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক আহত, চিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহে গোপালগঞ্জে কঠোর নিরাপত্তায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ১২টি গ্রামে নলকূপ স্থাপন মাঠে মাঠে সুপেয় পানি নিশ্চিতের উদ্যোগ,  উমেদনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে,আহত ৩০

বান্দরবানে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

 

নুরুল আলম সিকদার
স্টাফ রিপোর্টার

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। অক্টোবর মাসের প্রথম ৩ দিনেই ১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বান্দরবান সদর হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া ডেঙ্গু রোগীর মোট সংখ্যা ২৮৬ জন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বর মাসেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১৭ জন। অক্টোবর মাসে এ সংখ্যা ১২ জন হলেও আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বান্দরবান সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. তারেকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২২ জন রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। এদের মধ্যে ৫ জন শিশু রয়েছে। তিনি আরও বলেন,১০০ বেডের এই হাসপাতালে ২০ জন ডেঙ্গু রোগীর ব্যবস্থাপনা করতে গিয়ে তারা হিমসিম খাচ্ছেন। বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও চিকিৎসক ও নার্সদের সহযোগীতায় আমরা ডেঙ্গু আক্রান্তে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, আগস্ট থেকেই ডেঙ্গুর ‘পিক সিজন’ চলছে। বৃষ্টি, আর্দ্রতা, এডিস মশার ঘনত্বসহ নানা বিষয় বিবেচনায় ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ হচ্ছে। ডেঙ্গু মশা যাকেই কামড় দেবে তারই ডেঙ্গু হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews