মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সুন্দ্রাটিকি পল্লী উন্নয়ন যুবসংঘের উদ্যোগে ফয়জাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও মূল্য তালিকা না থাকায় চাঁদপুরে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। ২৯ বছরের অপেক্ষার অবসান, কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতালে প্রথম সিজারে পুত্রসন্তান জন্ম গোপালগঞ্জে টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে টিসিবি’র ডিলার পুনঃনিয়োগ। কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি ঘর নির্মাণ। হবিগঞ্জে আমিরচাঁন কমপ্লেক্সের গ্যারেজের সামনে গাড়ির চাপায় শিশু নিহত। বানিয়াচংয়ে ইউপি সদস্যের নির্দেশে দখলকৃত সরকারি ভূমি এখনও দখলমুক্ত হয়নি! মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। কাশিয়ানীতে শিক্ষিকা বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ লালমাইয়ে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত, শিশুবিয়ে বন্ধে সচেতনতার আহ্বান
Title :
সুন্দ্রাটিকি পল্লী উন্নয়ন যুবসংঘের উদ্যোগে ফয়জাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও মূল্য তালিকা না থাকায় চাঁদপুরে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। ২৯ বছরের অপেক্ষার অবসান, কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতালে প্রথম সিজারে পুত্রসন্তান জন্ম গোপালগঞ্জে টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে টিসিবি’র ডিলার পুনঃনিয়োগ। কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি ঘর নির্মাণ। হবিগঞ্জে আমিরচাঁন কমপ্লেক্সের গ্যারেজের সামনে গাড়ির চাপায় শিশু নিহত। বানিয়াচংয়ে ইউপি সদস্যের নির্দেশে দখলকৃত সরকারি ভূমি এখনও দখলমুক্ত হয়নি! মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। কাশিয়ানীতে শিক্ষিকা বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ লালমাইয়ে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত, শিশুবিয়ে বন্ধে সচেতনতার আহ্বান

মালামাল না কিনে ভুয়া ভাউচারে বিদ্যালয়ের টাকা উত্তোলন, তদন্ত শুরু করেছে মাউশি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে

 

আরিফুল ইসলম
মোহনগন্জ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি

মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সরঞ্জামাদি না কিনে ভুয়া বিল-ভাউচারে টাকা উত্তোলনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার সরঞ্জামাদি না কিনে ভুয়া বিল ভাউচারে টাকা উত্তোলন করার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ হলে ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আজ শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা.নাসির উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জামাদি কেনাকাটার জন্য পাঁচ লাখ ৬১ হাজার টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে বিদ্যালয়ের সাইন্স ল্যাবের নানা রাসায়নিক, বইপুস্তক, গবেষণা সরঞ্জামাদি, শিক্ষা উপরকণ, ক্রীড়া সামগ্রীসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সরবরাহ করার কথা ছিল। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে গত ২২ ডিসেম্বর কার্যাদেশ পায় নেত্রকোনার মেসার্স ইউনিপ্যাক এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানকে ৭ দিনের মধ্যে উপকরণ সরবার করতে বলা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী আল আমিন নামে এক ব্যক্তি। এদিকে সরঞ্জামাদি বুঝে নিতে নিয়মানুযায়ী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সমন্বয়ে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের সাথে সমঝোতা করে সরঞ্জামাদি না কিনেই ভুয়া বিল ভাউচার জমা দেয় ঠিকাদার। আর ক্রয় সংক্রান্ত উপ-কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে সরঞ্জামাদি বুঝে পাওয়ার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে সমঝোতায় ঠিকাদারকে সরবারহের প্রত্যায়ন দেন প্রধান শিক্ষক। ওই প্রত্যয়ন জমা দিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি ভ্যাট-ট্যাক্স বাদে চার লাখ ৮০ হাজার ২৫৫ টাকা বিল তুলে নেন ঠিকাদার। ফলে সরঞ্জামাদি বঞ্চিত হয় বিদ্যালয়টি।

নিয়মানুযায়ী – দরপত্র আহ্বান করা হলে সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সরঞ্জামাদি বিদ্যালয়ে সরবরাহ করবেন ঠিকাদার। পাশাপাশি সরবরাহকৃত সরঞ্জামাদির বিল-ভাউচার জমা দেবেন। তবে সেইসব সরঞ্জামাদির পরিবর্তে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে নগদ টাকা উত্তোলন বিধিবহির্ভূত এবং আত্মসাতের শামিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ক্রয় সংক্রান্ত উপ-কমিটির সদস্য আজিজুল হক বলেন, কমিটির সদস্য হলেও এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কোন মালামালও বুঝে পাইনি। প্রধান শিক্ষকের কথা মতো স্বাক্ষর করেছি মাত্র। এছাড়া আর কিছু জানি না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার আল আমিন বলেন, যথাযথ নিয়মে কমিটির সামনে সকল সরঞ্জামাদি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে তাদের প্রত্যায়ন নিয়ে টাকা উত্তোলন করেছি। নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।

তবে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বিভিন্ন উপকরণ কেনার দরপত্র হলেও ঠিকাদার কোন উপকরণ দেয়নি। আমরা নগদ টাকা তুলে নিয়েছি। খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কিছু টাকা খরচ করা হয়েছে। কোন উপকরণ এখনো কেনা হয়নি। পরে দরকার হলে উপকরণ কেনা হবে। বিষয়টি অনিয়ম কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর জানা নেই।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপপরিচালক মোহা.নাসির উদ্দীন বলেন, গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ ঘটনায় তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে তদন্তের বিষয়ে বিদ্যালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews