
বিশেষ প্রতিনিধিঃ আজমিরীগঞ্জ উপজেলা (সম্রাট রহমান রাহি) ২৪/১০/২৬ইং
বয়স তখন মাত্র ১৮। উদীয়মান তরুণ ইয়ামিন হাসানের চোখে ছিল হাজারো স্বপ্ন, বুকে ছিল উদ্দীপনা। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গণতন্ত্রের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা এবং তারেক রহমানের তরুণদের প্রতি প্রেরণা—সব মিলিয়ে ইয়ামিন তার যৌবনের প্রথম দিনগুলো উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ব্যানারে।
হবিগঞ্জ জেলার রাজপথে আওয়ামী সরকারের পতনের দাবিতে সোচ্চার মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন নির্ভীক তরুণ ইয়ামিন। কিন্তু স্বৈরাচারী শাসনের বুলেটের স্প্লিন্টার মুহূর্তে নিভিয়ে দেয় তাঁর এক চোখের আলো। যে বয়সে রঙিন স্বপ্নের মেলা বসার কথা ছিল, সেই বয়সেই এক করুণ অন্ধকারের মুখোমুখি হতে হয় এই তরুণকে।
এক চোখ হারালেও দমে যাননি ইয়ামিন। আজ তিনি নিজের ভবিষ্যৎ বা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধার কথা ভাবছেন না। তাঁর হৃদয় থেকে উঠে আসা একটিই আকুল আবেদন—অন্যায় ও অপরাধের বিচার চাই।
”আমার ভবিষ্যতের জন্য আমি কিছুই চাই না। শুধু বিচার চাই সেসব অপরাধীদের, যারা আমার চোখের আলো কেড়ে নিয়েছে। এটাই আমার একমাত্র আশা ও আকুল আবেদন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জনাব তারেক রহমানের কাছে।”
— ইয়ামিন হাসান (সাবেক সদস্য, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল)
যৌবনের প্রারম্ভে আত্মত্যাগ করা এই বীর সেনানী আজ কেবল বিচারের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছেন। তিনি চান, তাঁর এই ত্যাগ যেন বৃথা না যায় এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হয়।