রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নলডাঙ্গা মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২ লক্ষ টাকা মূল্যের চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস । দৃষ্টি হারানোর বিচার পাওয়ার করুণ আকুতি ছাত্রদল নেতা ইয়ামিন হাসানের। গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছটিকা মিছিলে পুলিশের সহিত সংঘর্ষ। নবীগঞ্জ থানা হাজতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, এ,এসআই ও নারী কনস্টেবল ক্লোজড। গোয়াইনঘাটে মাদকমুক্ত আলীরগ্রাম গড়তে যুব সমাজের উদ্যোগে বৈঠক, শনিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। লালমাইয়ে নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস গোয়াইনঘাটে গ্লোবাল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের শুভ উদ্বোধন, স্থানীয়দের মাঝে নতুন আশার আলো। গোয়াইনঘাটে চোরাই তিন গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কোটালীপাড়য় মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা।
Title :
নলডাঙ্গা মোবাইল কোর্ট অভিযানে ২ লক্ষ টাকা মূল্যের চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস । দৃষ্টি হারানোর বিচার পাওয়ার করুণ আকুতি ছাত্রদল নেতা ইয়ামিন হাসানের। গোপালগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছটিকা মিছিলে পুলিশের সহিত সংঘর্ষ। নবীগঞ্জ থানা হাজতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, এ,এসআই ও নারী কনস্টেবল ক্লোজড। গোয়াইনঘাটে মাদকমুক্ত আলীরগ্রাম গড়তে যুব সমাজের উদ্যোগে বৈঠক, শনিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। লালমাইয়ে নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাস গোয়াইনঘাটে গ্লোবাল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের শুভ উদ্বোধন, স্থানীয়দের মাঝে নতুন আশার আলো। গোয়াইনঘাটে চোরাই তিন গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কোটালীপাড়য় মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা।

কোটালীপাড়ায় তরমুজের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে স্বপ্নীল হাসি।

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

 

পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এবছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরশুমের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো মৌসুম তরমুজ সংগ্রহ করে বেশ লাভবান হয়েছে। জেলায় যেসব এলাকায় তরমুজ উৎপাদন হয় তার সিংহভাগ কোটালীপাড়া উপজেলায়। এবছর তরমুজের দাম ভালো থাকায় তরমুজ চাষিরা বেশ লাভবান হয়েছে বলে জানা গেছে । তরমুজ চাষ করে কোটালীপাড়া উপজেলার বুরুয়া, কলাবাড়ি , কুমুড়িয়া , নলুয়া, চকপুকুরিয়া গ্রামের তরমুজ চাষিরা স্বনির্ভর হয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠেছেন। তরমুজ চাষী সমর হাজরার সহিত কথা বলে জানা যায় , বুরুয়া গ্রামের অনেক পরিবার তিন – চার বছর পূর্বে অনাহারে দিন কাটাতো । কিন্তু তরমুজ চাষ শুরু করার পরে আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বাড়ির অবকাঠামো সহ নতুন করে জায়গা জমি ক্রয় করে আর্থিকভাবে সফল হয়েছে। মৌসুমের শেষ পর্যায় চাষিরা
ভালো দাম পেতে আরতদারদের সহায়তায় তরমুজ পৌঁছে দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। তরমুজ চাষী অজয় বিশ্বাস জানন, এবছর প্রতি কেজি তরমুজ মৌসুমের প্রথমে আশি থেকে নব্বই টাকা দরে বিক্রয় হয়েছে জাহা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য যথেষ্ট সহায়ক মূল্য। প্রতিবছর দামের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে পুরো গোপালগঞ্জে তরমুজ চাষিরা ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষে মনোযোগী হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews