
মোঃ কামাল হোসেন প্রধান জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী।
নরসিংদীর শিবপুর মডেল থানার ভরতের কান্দি গ্রামে (পূর্ব পাড়া ) নিজ ঘরের ভিতরে খুনি সাকিল চৌধুরী নিজ পিতা বাসেদকে খুন করে আরো দূইজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। তখন সারা বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা তেমন একটা ভালো ছিল না,জ্বালাও পোড়াও এবং মব সৃষ্টিকারী ঘটনা নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল,কেউ একা চলাচল করতে নিরাপদ মনে করতেন না। এ সময়ে ভরতের কান্দিতে খুনি শাকিল চৌধুরী নিজ পিতা বাসেদ চৌধুরীকে খুন করে পালিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নরসিংদী জেলায়। খুনি শাকিল চৌধুরী নিজ পিতাকে খুন করে পালিয়ে গিয়ে,তার নিকট আত্মীয়-স্বজন এবং পরিবারের লোকজনের সাথে গোপনে মোবাইলে যোগাযোগ করতো বলে জানা যায়। সে পূর্বে ও একাধিক খুনের সাথে জড়িত ছিল । তার আপন বড় বোনের বাশুরের মেয়েকে হত্যা করে কেটে ছয় টুকরা করে বস্তা বন্দী করেছিলো বলে জানা যায়। তার পারিবারিক ও আত্মীয়স্বজন এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব বিস্তার ও আর্থিক সহযোগিতার কারণে সে হত্যা মামলায় সহ বিভিন্ন অপরাধ থেকে একাধিক বার রক্ষা পায় কিন্তু ফেঁসে যায় অন্য মানুষ। ঠিক তখনই শিবপুরের এএসপি সার্কেল আবু রায়হান ও অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দিকনির্দেশনা দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খুনি শাকিলকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন এএসআই (নিঃ) আরিফুর রহমান । খুনি শাকিলকে গ্রেফতার করায় স্বস্তি ফিরে আসে নরসিংদীতে। নরসিংদী পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ আল ফারুক এর সভাপতিত্বে জেলা পুলিশ সম্মেলন কক্ষে ১৪ সেপ্টেম্বর/২০২৬ ইং মাসের আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বিপিএম উক্ত সভায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করেন। উক্ত সভায় জেলা পুলিশ এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা’গণসহ সকল ইউনিটের অফিসার ইনচার্জগণ অংশগ্রহণ করেন। খুনি শাকিলকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় শিবপুর মডেল থানার এএসআই (নিঃ) আরিফুর রহমানকে কর্ম মূল্যায়ন এর স্বীকৃতি স্বরূপ নরসিংদীর পুলিশ সুপার এর নিকট থেকে নগদ অর্থ,বিশেষ সম্মাননা ও সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন।