রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বিএনপির ৪৭ নেতাকে ওমরাহ পালনে পাঠালেন নেত্রকোনা -৪ আসনের এমপি বাবর। পুটিয়া ইউনিয়ন শিবপুরের জন্য রাজা ইউনিয়ন আলহাজ্ব মঞ্জুর এলাহী এমপি। গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও ‘প্রতীতি’র বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন গোপালগঞ্জে যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন। চুনারুঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটর সাইকেল আরোহী নিহত। চুনারুঘাটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে এস আই মামুন কনস্টেবল রুহুল আমিন ক্লোজড। মাধবপুরে এসআরবি অভিযানে গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। মুকসুদপুরে বাসের চাপায় পথচারী নিহত হাজীগঞ্জের রাজারগাঁওয়ে ২০ পিস ইয়াবাসহ বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার।
Title :
বিএনপির ৪৭ নেতাকে ওমরাহ পালনে পাঠালেন নেত্রকোনা -৪ আসনের এমপি বাবর। পুটিয়া ইউনিয়ন শিবপুরের জন্য রাজা ইউনিয়ন আলহাজ্ব মঞ্জুর এলাহী এমপি। গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও ‘প্রতীতি’র বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন গোপালগঞ্জে যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন। চুনারুঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটর সাইকেল আরোহী নিহত। চুনারুঘাটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে এস আই মামুন কনস্টেবল রুহুল আমিন ক্লোজড। মাধবপুরে এসআরবি অভিযানে গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। মুকসুদপুরে বাসের চাপায় পথচারী নিহত হাজীগঞ্জের রাজারগাঁওয়ে ২০ পিস ইয়াবাসহ বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার।

মেহেরপুরের যুবদল নেতা হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার!

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

 

মোস্তাফিজুর রহমান জেলা প্রতিনিধি মেহেরপুরঃ

মেহেরপুরের যুবদল নেতা আলমগীর হােসেনকে হত্যা মামলার ৩জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব সদস্যরা। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গাংনী উপজেলার গাংনী পৌর এলাকার (৪নং ওয়ার্ড) চৌগাছা গ্রামের রইচ উদ্দীনের ছেলে রবিউল ইসলাম বিপ্লব (৩৬), পৌর এলাকার বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের পশ্চিমপাড়ার আব্দুল আউয়ালের ছেলে মফিকুল ইসলাম (৩৯) এবং উপজেলার কোদাইলকাটি গ্রামের জামাত আলীর ছেলে আলমগীর হােসেন (৪০)।

শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১২ এর মেহেরপুর ক্যাম্পের কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফ উল্লাহ (পিপিএম)।
ক্যাম্প কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফ উল্লাহ (পিপিএম) জানান, গত ২ জানুয়ারি সকালে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষােলটাকা ইউনিয়নের সহড়াবাড়ীয়া-কামারখালী ইচিখালীর মাঠে আলমগীর হােসেন (৩৮) নামের এক ব্যক্তি রক্তাক্ত লাশ পড়ে ছিল। লাশটি গাংনী পৌর এলাকার (১ নং ওয়ার্ড) বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মঈনউদ্দীনের ছেলে ও ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আলমগীর হােসেন বলে তার পরিবার ও এলাকাবাসি নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় নিহত আলমগীরের পরিবারের পক্ষ থেকে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা করে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি রবিউল ইসলাম বিপ্লবকে গাংনী উপজেলা শহরের তার ঘড়ির দােকানের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি মফিকুলকে গাংনী কাঁচা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আসামি আলমগীরকে কােদাইলকাটি গ্রামের একটি চায়ের দােকান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, নিহত আলমগীর সাথে বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মফিকুলের ২ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল। প্রায় ৪ বছর আগে আলমগীর মফিকুলের নিকট হতে টাকা ধার নিলেও সেই টাকা পরিশোধ না করে প্রায় দেড় বছর আগে সৌদি আরবে চলে যায়। গত ৩ মাস পূর্বে আলমগীর দেশে ফেরৎ আসে। পাওনা টাকার জন্য মফিকুল তার বাড়িতে আসলে টাকা পরিশোধ না করে নানা টালবাহানা করে। বিষয়টি শুরু থেকেই আসামী মফিকুল তার বন্ধু আসামী বিপ্লবকে জানায়। আসামী বিপ্লব এবং আসামী আলমগীর একাধিকবার ভিকটিমের নিকট হতে আসামী মফিকুলের টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। গত তিন দিন আগে আসামী মফিকুলের সাথে ভিকটিমের টাকা দেওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। তখন থেকেই আসামীরা ভিকটিমকে মারার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দুই দিন আগে ঘটনাকে অন্য দিকে রুপ দেওয়ার জন্য আসামী বিপ্লবকে গাংনী বাজারের থানা রোডে অবস্থিত তার দোকানে বসে নিজ হাতে একটি চিরকুট লেখে যা ভিকটিমকে হত্যার পর লাশের নিকট রেখে দেয়। গত বুধবার বিকালে আসামী বিপ্লবের ঘড়ির দোকানে ভিকটিম (আলমগীর) যায় এবং তার সাথে আড্ডা দেয়। পূর্বে ভিকটিম তার বন্ধু আসামী বিপ্লবের নিকট টাকা ধার চেয়েছিল। আসামী বিপ্লব ভিকটিমকে টাকা ধার দেওয়ার কথা বলে গত বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে নিজ বাসায় নিয়ে যায়। আসামী মফিকুল তার মোটরসাইকেলে করে আসামী বিপ্লব ও ভিকটিম আলমগীরকে গাংনী উপজেলার রাইপুর ইউনিয়নের মড়কা বাজারে নিয়ে যায়। মড়কা বাজারে পূর্বে থেকে অবস্থানরত আসামী আলমগীর ও তার একজন সঙ্গীকে আলাদা একটি মোটরসাইকেলে করে ভিকটিমসহ মোট পাঁচজন সহড়াবাড়ীয়া মাঠের রাস্তায় যায়। সেখানে আসামীরা মফিকুলের নিকট হতে ধার নেওয়া টাকা কেন ফেরত দিচ্ছে না এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামী আলমগীর তার শার্টের নিচে লুকিয়ে রাখা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমের মাথায় আঘাত করে এবং সবাই মিলে ভিকটিমের মুখ ও হাত- পা বাঁধে। আসামী বিপ্লব ও আসামী মফিকুল ভিকটিমকে ধরে রাখে এবং আসামী আলমগীর তার সঙ্গীয় অন্য আসামীসহ ভিকটিমকে দা দিয়ে জবাই করে। পরবর্তীতে তারা লাশ ফেলে রাখে রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে ঘটানাস্থল ত্যাগ করে। ফেরার পথে ঘটনাস্থল হতে আনুমানিক ৪ কিলোমিটার দূরে রাস্তার ঢালে ভিকটিমকে জবাই করার কাজে ব্যবহৃত দা টি ফেলে আসে বলে আসামী বিপ্লব স্বীকার করে। এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির বিশ্লেষণে ঘটনাস্থলে তাদের উপস্থিতি থাকার তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায় এবং আসামীদের দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামতের আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গাংনী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews