শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গোপালগঞ্জে পথসভায় ডা:শফিকুর রহমান-সংবিধান সংস্কার করে জনরায় বাস্তবায়ন করুন। লালমাইয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, বিশাল র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হাজীগঞ্জে ১৫ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার। হবিগঞ্জে নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল।উদ্ধার, ৪ জন আটক  বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা। জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম । লালমাইয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের করুণ মৃত্যু বাগমারা বাজারে যানজট নিরসনে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের সাঁড়াশি অভিযান। হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল, ১৫০টি পাইপ ধ্বংস। চুনারুঘাটে ‘স’মিলে অভিযানে সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ।
Title :
গোপালগঞ্জে পথসভায় ডা:শফিকুর রহমান-সংবিধান সংস্কার করে জনরায় বাস্তবায়ন করুন। লালমাইয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, বিশাল র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হাজীগঞ্জে ১৫ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার। হবিগঞ্জে নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল।উদ্ধার, ৪ জন আটক  বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনকে দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা। জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম । লালমাইয়ে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরের করুণ মৃত্যু বাগমারা বাজারে যানজট নিরসনে ইউএনও সুব্রত বিশ্বাস দাসের সাঁড়াশি অভিযান। হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিনটি ড্রেজার মেশিন বিকল, ১৫০টি পাইপ ধ্বংস। চুনারুঘাটে ‘স’মিলে অভিযানে সাড়ে ৩৪ ঘনফুট অবৈধ কাঠ জব্দ।

গোপালগঞ্জে পথসভায় ডা:শফিকুর রহমান-সংবিধান সংস্কার করে জনরায় বাস্তবায়ন করুন।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

পলাশ চন্দ্র বিশ্বাস , জেলা প্রতিনিধি( গোপালগঞ্জ)

সারা দেশব্যাপী ১১ দলীয় লংমার্চ কর্মসূচির আওতায় আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬ ) তারিখে ঢাকা থেকে খুলনা লং মার্চের উদ্দেশ্যে আগত গাড়ি বহর গোপালগঞ্জ ভাটিয়াপাড়ায় পৌঁছালে উৎসুক জনতার উদ্দেশ্যে পথসভায় জামাতের আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান সংস্কার করে জনরায় বাস্তবায়ন করুন। জনরায় বাস্তবায়নের জন্য ১১ দলীয় জোট সারা দেশব্যাপী এই লং মার্চ কর্মসূচি পালন করছে । বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, নির্বাচনের পূর্বে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন, নির্বাচনের পরে সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এই প্রতারণা জন্য একদিন জনআদলতে আপনাদের বিচার হবে । এখনো সময় আছে , আপনারা জন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে ১২ ফেব্রুয়ারির কাঙ্খিত জনরায় বাস্তবায়ন করুন তা না হলে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে এক দফা আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যেতে বাধ্য হব । আপনাদের মনে আছে ৫ আগস্ট ফ্রেসিস্ট সরকার কিভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের নিকট থেকে আপনাদের শিক্ষা নিতে হবে। যদি আপনারা জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন না করেন তাহলে আপনাদেরকেও আগামী দিনে স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের মতো বিদায় নিতে হবে। আমাদের এই লং মার্চ বৃথা যাবেনা। আমরা লংমার্চ এর মাধ্যমে জনগণকে একত্রিত করে বৃহত্তর ডাক দিয়ে সরকারকে জনরায় বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করব ইনশাল্লাহ। তিনি সরকারকে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন , সংবিধান সংশোধন করে জনরায় বাস্তবায়ন করুন। এদিকে লংমার্চ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য জামাতের কেন্দ্রীয় সুরা সদস্য ও গোপালগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক এম এম রেজাউল করিম সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় লং মার্চের গাড়িবহর গোপালগঞ্জ সড়ক অতিক্রম করে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম ।

জিয়া নগর ভোরের স্নিগ্ধতায় কুরআনের সুর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পানছড়ি প্রতিনিধি মুসলমানদের ঐতিহ্যবাহী সকালের মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষার শেকড় আমাদের হাজার বছরের মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হলো ঐতিহ্যবাহী ‘সকালের মক্তব’। ভোরের শান্ত পরিবেশে কচি কণ্ঠে ‘আলিফ,বা,তা’ উচ্চারণের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম শিশুর ধর্মীয় শিক্ষার যে হাতেখড়ি হয়,তা সারাজীবন তাদের ঈমানের বুনিয়াদ শক্ত রাখে। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং নিজ উদ্যোগে কোমলমতি শিশুদের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বেলে দিতে পানছড়ির জিয়ানগর বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (সহজ কুরআন শিক্ষা)কেন্দ্রের এক আনন্দঘন পরিবেশে ‘কুরআন শরিফ সবক প্রদান অনুষ্ঠান’ সম্পন্ন হয়েছে। কুরআনি শিক্ষা আলো কচ্ছ্বটা: হৃদয়ে এক অপার্থিব প্রশান্তি “পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থ একদিকে, আর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অন্যদিকে। যখন একটি নিষ্পাপ শিশু নিজের ছোট্ট আঙুলগুলো বুলিয়ে প্রথম উচ্চারণ করে ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’, তখন আসমান থেকে রহমতের ফেরেশতারা ডানা বিছিয়ে দেন। যে হৃদয় কচি বয়সে কুরআনের ছোঁয়া পায়, সেই জীবন কস্মিনকালেও অন্ধকার হতে পারে না। এই অবুঝ শিশুদের মুখে কুরআনের মিষ্টি আওয়াজ যেন দুনিয়ার সব কোলাহল ছাপিয়ে এক জান্নাতি সুবাস ছড়িয়ে দেয়—যা প্রতিটি মুমিনের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং হৃদয়কে এক অলৌকিক প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে।” সকালের মক্তবের এই অনুষ্ঠানে দীর্ঘ দিন কায়দা ও আমপারা শিক্ষা সমাপ্তির পর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়। অত্র মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং মক্তবের সম্মানিত উস্তাদ মাওলানা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) বছর ধরে অত্যন্ত ইখলাস ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনি খেদমতের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের কুরআনের শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছেন।প্রতিবারের ন্যায় এবারেও কোমলমতি শিশুদের হাতে কুরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়।ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে মেধা ক্রমানুসারে পুরস্কৃত করা হয়। সুদীর্ঘ সাধনায় এবং এলাকাবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্বীনি চেতনাকে আরও শাণিত করেছে। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্তভাবে সঞ্চালনা করেন অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাহেব। মহিমান্বিত অনুষ্ঠানে অত্র মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, এলাকার ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতা ছাড়াও পানছড়ি শাখার ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের কেয়ারটেকার স্থানীয় সম্মানিত আলেম-ওলামা সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন। স্থানীয় মুরুব্বি ও আলেমগণ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই শিশুরা আগামী দিনের পথপ্রদর্শক। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অত্র মসজিদের ইমাম সাহেবসহ মাওলানা শফিকুল ইসলাম সাহেব যেভাবে এই কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তুলছেন, তা অত্র এলাকার জন্য এক বিরাট নেয়ামত।” তারা এমন সুন্দর আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং উপস্থিত কোমলমতি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দ্বীনের ওপর অবিচল থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। পরিশেষে,ছাত্র,ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে  উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। কুরআনের ঐশী বাণীকে সমুন্নত রাখতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম ।

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews